বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তবে নিউজিল্যান্ড দলে এ মুহূর্তে আর যা–ই হোক, সুখজাগানিয়া পরিবেশ নেই। সে জন্য দায়ী বাংলাদেশ দল। মাউন্ট মঙ্গানুই টেস্টে নিউজিল্যান্ডকে ৮ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে মুমিনুল হকের দল। বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ডের মাটিতে দাপট ছড়িয়ে টেস্ট জিতেছে, সেটাও ঘরের মাঠে কিউইদের টানা ১৭ টেস্ট অপরাজিত থাকার ধারা ভেঙে, টেলর তাই কুর্নিশ জানিয়েছেন বাংলাদেশকে।


নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক টেলরের মতে, মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে বাংলাদেশের জয়টা ‘ক্রিকেটের জন্যই ভালো’। ৩৭ বছর বয়সী এ ব্যাটসম্যান বলেন, ‘আমরা ম্যাচের পুরো সময়ই পর্যুদস্ত হয়েছি। তবে টেস্ট ক্রিকেটের ভালোর জন্যই বাংলাদেশকে উঠে আসতে হবে এবং আমার মনে হয়, এই জয় থেকে তারা অনেক আত্মবিশ্বাস পাবে।’ তাই বলে ক্রাইস্টচার্চ টেস্টেও বাংলাদেশ জিতবে, এমনটা ভাবছেন না টেলর।

default-image

সিরিজ বাঁচানোর মরিয়া কণ্ঠস্বরই ফুটল টেলরের কথায়, ‘আমরা ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে। এখন আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলতে হবে। আর এমন মাঠে খেলাটা হবে, আমরা যেখানকার কন্ডিশন সমন্ধে জানি এবং অনেক সাফল্যও পেয়েছি।’ ক্রাইস্টচার্চে হ্যাগলি ওভালের উইকেট পেসবান্ধব। সবুজ উইকেটে গতি, বাউন্স ও সুইং পেয়ে থাকেন পেসাররা। হ্যাগলি ওভালের উইকেট কেমন হতে পারে, প্রশ্নের উত্তরে খানিকটা কৌতুক করলেন টেলর, ‘(কিউরেটরের কাছে) গড়পড়তা উইকেটই চেয়েছি এবং তিনি সায় দিয়েছেন।’


গড়পড়তা মানে হ্যাগলি ওভালের উইকেট সাধারণত যেমন হয়ে থাকে—ঘাসের গালিচায় গতি ও সুইংয়ের পসরা। টেলর বললেন, ‘আমার মনে হয়, পুরো সময়ই বল উঠবে এবং দৌড়াবে (ক্যারি)। ঘাস থাকবে প্রচুর। এমন কন্ডিশনে কীভাবে খেলতে হবে, তা আমাদের ব্যাটসম্যান-বোলাররা জানে। তাই টসে জিতলে আগে বোলিং, তবে আগে ব্যাট করলে স্রেফ উইকেটে পড়ে থাকতে হবে। অনেক সময় শেষের ব্যাটসম্যানরাও বিপদ থেকে আমাদের উদ্ধার করেছে। ২০০ রানের ওপাশে যেতে পারলেই সম্ভবত লড়াকু স্কোর হয়ে যাবে। কী হয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।’

default-image

হ্যাগলি ওভালে এ পর্যন্ত আট টেস্ট খেলে মাত্র একটিতে হেরেছে নিউজিল্যান্ড। মাউন্ট মঙ্গানুই সে তুলনায় নিউজিল্যান্ড দলের জন্যই নতুন মাঠ। এখানকার কন্ডিশনে খেলার ধাঁচটা পুরোপুরি রপ্ত করতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। টেলর সে কথা জানালেও বাংলাদেশের পেসারদের প্রশংসা করেছেন। মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে নিউজিল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেট নেন ইবাদত। বাংলাদেশের বোলিং প্রসঙ্গে তিনি ইবাদতের নাম না বললেও উঠে এল তাঁর প্রসঙ্গই, ‘ওরা ধৈর্য ধরেছে। স্টাম্পে বল রেখেছে এবং আমাদের নিচে খেলতে বাধ্য করেছে। তা ছাড়া আমাদের বেশির ভাগ খেলোয়াড় তাদের ক্যারিয়ারে বেশির ভাগ মুহূর্তেই রিভার্স সুইংয়ের মুখোমুখি হয়নি।’


মাউন্ট মঙ্গানুই টেস্টে রির্ভাস সুইং পাওয়ার পাশাপাশি পুরো সময়ই স্টাম্পে বল করে গেছেন ইবাদত। ৯ জানুয়ারি বাংলাদেশ সময় ভোররাত চারটায় শুরু হবে ক্রাইস্টচার্চ টেস্ট। দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে বাংলাদেশ।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন