কাইল মেয়ার্সই বাংলাদেশকে ভোগাচ্ছেন।
কাইল মেয়ার্সই বাংলাদেশকে ভোগাচ্ছেন। ছবি: প্রথম আলো

চট্টগ্রামে চলছে টেস্ট ম্যাচ। কিন্তু শেষ সেশনে ১০ ওভার আগের স্কোরবার্ড দেখে কে বলবে, এটা টেস্ট ম্যাচ! হ্যাঁ, পোশাকটা সাদা, বলটাও লাল কিন্তু স্কোরবোর্ড বলছে টেস্ট ম্যাচটা টি–টোয়েন্টি থেকে টি ১০–এ নামিয়ে এনেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

শেষ সেশনে খেলা প্রায় ২০ ওভার বাকি থাকতে জয়ের জন্য ৮২ রান দরকার ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের। হাতে ছিল ৫ উইকেট। এক প্রান্তে আস্থার প্রতীক হয়ে ব্যাট করছিলেন সেঞ্চুরি তুলে নেওয়া কাইল মেয়ার্স। অন্য প্রান্তে প্রথম ইনিংসে ‘খুঁটি’ হয়ে থাকা জশুয়া দা সিলভা। এখান থেকে মারার বল পেলে ছাড়েননি মেয়ার্স–সিলভা। নাঈম হাসানের করা পরের ওভারের প্রথম বলেই ছক্কা মেরে অবিশ্বাস্য জয় তুলে নেওয়ার পথে দ্রুতলয়ে ব্যাট করা শুরু করেন মেয়ার্স।

নাঈম ও মেহেদী হাসান মিরাজের করা পরের ওভারগুলো থেকে অন্তত একটি করে হলেও চার কিংবা ছক্কা তুলে নিয়েছেন মেয়ার্স। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত জয়ের জন্য বাকি প্রায় ১০ ওভারে ২৬ রান দরকার ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের। ২৮৮ বলে ১৯০ রানে অপরাজিত ছিলেন মেয়ার্স। অন্য প্রান্তে ৪৯ বলে ১৪ রানে অপরাজিত জশুয়া।

বিজ্ঞাপন
default-image

জয়ের জন্য ৩৯৫ রানের লক্ষ্যে কাল ব্যাটিংয়ে নামা ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩ উইকেটে ১১০ রান তুলে চতুর্থ দিনের খেলা শেষ করেছিল। আজ পঞ্চম দিনে চা বিরতির আগ পর্যন্ত স্কোরবোর্ডে সফরকারী দলের উইকেটসংখ্যার কোনো পরিবর্তন ঘটাতে পারেননি বাংলাদেশের বোলাররা। ৩ উইকেটে ২৬৬ রান তুলে চা-বিরতি রন্ধ্রে রন্ধ্রে উপভোগ করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু শেষ সেশনের শুরুতে দ্রুত দুটি উইকেট নিয়ে আবারও লড়াইয়ে ফিরেছিল বাংলাদেশ। এখান থেকে জমে ওঠে টেস্ট—রোমাঞ্চকর এ সময়ে হার–জিতের পাল্লা সমান ছিল দুই দিকেই।

কিন্তু সেখান থেকে ষষ্ট উইকেটে এখন পর্যন্ত ৭৭ রানের জুটি গড়ে ম্যাচের মোড় আবারও ঘুরিয়ে দেন মেয়ার্স–জশুয়া জুটি।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন