default-image

দক্ষিণ আফ্রিকায় সেই ভুল করতে চায় না বাংলাদেশ দল। ওয়ানডের মতো টেস্ট সিরিজের ট্রফিটাও বাংলাদেশের চাই। আজ ডারবানের চ্যাটসওয়ার্থ ক্রিকেট ওভালে টেস্ট দলের অনুশীলন শেষে দলের ফাস্ট বোলার ইবাদত হোসেন বলছিলেন সে কথাই, ‘মাউন্ট মঙ্গানুই টেস্ট দিয়ে আমরা বছরের শুরুটা খুব ভালো করেছি। সেখান থেকে আমাদের সবার, পুরো দলের আত্মবিশ্বাস বেড়ে গেছে। আমরা সবাই চেষ্টা করছি যেন এই আত্মবিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে যেতে পারি। যেহেতু ওয়ানডে সিরিজ জিতেছি, এই টেস্ট সিরিজও আমরা জিততে চাই।’

নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশ দলের সাফল্যটা এসেছে পেসারদের হাত ধরে। দক্ষিণ আফ্রিকার কন্ডিশনেও গতি হবে বাংলাদেশ দলের প্রধান অস্ত্র। মাউন্ট মঙ্গানুই টেস্ট জয়ের নায়ক ইবাদতের শক্তিও সেই গতি। ওয়ানডে সিরিজে তাসকিন আহমেদ ও শরীফুল ইসলাম ছিলেন এককথায় দুর্দান্ত। এই ত্রয়ীর চোখ এবার প্রোটিয়া-বধে।

default-image

ইবাদত বলছিলেন, ‘আমাদের ফাস্ট বোলারদের উন্নতির গ্রাফটা যদি খেয়াল করেন, তাসকিন, শরীফুল, মোস্তাফিজ—সবাই খুব ভালো করার চেষ্টা করছে। সবাই চেষ্টা করছে ফাস্ট বোলিং বিভাগকে আরও ভালো করার। এখন দেশের বাইরে ভালো করছি, আশা করি একসময় দেশেও তিন-চারজন ফাস্ট বোলার খেলব। আমাদের আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়েছে, দেশে ও দেশের বাইরে পেসাররা মিলে ম্যাচ জেতাব।’

টেস্ট সিরিজে ভালো করার জন্য মুমিনুলদের প্রস্তুতিতেও কোনো কমতি ছিল না। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের আগে বগুড়ায় বিশেষ ক্যাম্প করেছে টেস্ট দলের ক্রিকেটাররা। দক্ষিণ আফ্রিকা পৌঁছেও নিজেদের কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার যথেষ্ট সময় পেয়েছে। আজ নিজেদের মধ্যে ম্যাচের পরিস্থিতি তৈরি করে অনুশীলন করেছেন ক্রিকেটাররা।

ইবাদত নিজেদের প্রস্তুতির প্রসঙ্গে বলছিলেন, ‘এটা আসলে আমাদের জন্য অনেক বড় সুযোগ যে আমরা দুই দিনের অনুশীলন ম্যাচ পেয়েছি। আজ আমরা অনুশীলন ম্যাচের বদলে ম্যাচের আবহ তৈরি করেছি। উইকেট আসলে খুবই ভালো। আশা করছি আমরা প্রায় একই উইকেট টেস্ট ম্যাচেও পাব। সেভাবেই চেষ্টা করছি প্রস্তুত হতে।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন