default-image

২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারির পর এ মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকা কোনো টেস্টই খেলেনি। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হওয়া ইংল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচটিই এ মাঠে শেষ ওয়ানডে। অনেকেই বলতে পারেন করোনার কারণে তো এমন অবস্থা অনেক মাঠেরই। কিন্তু ডারবানের প্রসঙ্গে করোনাটা অজুহাত নয়। গত এক যুগে ডারবানের কিংসমিড ধীরে ধীরে প্রোটিয়াদের জন্য ‘অপ্রিয় ভেন্যু’তে পরিণত হয়েছে।

২০০৯ সালের পর এ মাঠে খেলা নয়টি টেস্টের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা জিতেছে মাত্র একটিতে। সেটি ২০১৩ সালে ভারতের বিপক্ষে। এরপর এ মাঠে তারা হেরেছে ভারত, শ্রীলঙ্কা, অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের কাছে। শেষ তিনটি দলের বিপক্ষে তারা হেরেছে দুবার করে। এর বাইরে ২০১৬ সালে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে একটি টেস্ট ড্র করতে পেরেছিল। ওয়ানডে সিরিজ হারের পর এই ভেন্যুতে উপমহাদেশের দল বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট, দুশ্চিন্তার ভাঁজ এলগারের কপালে পড়তেই পারে।

default-image

কিংসমিডে শ্রীলঙ্কার কাছ থেকে অনুপ্রেরণা নিতে পারেন মুমিনুল হকরা। ২০১১ সালের ডিসেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২০৮ রানে হারিয়েছিল তারা। তবে ১১ বছর আগের শ্রীলঙ্কার চেয়ে ২০১৯ সালের শ্রীলঙ্কাই বাংলাদেশের জন্য বেশি প্রেরণার হতে পারে। ভাঙাগড়ার মধ্য দিয়ে যাওয়া লঙ্কানরাই তিন বছর আগে ডারবানে দুর্দান্ত এক ম্যাচ ১ উইকেটে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়েছে। এশিয়ার প্রথম দল হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্ট সিরিজ জেতার উৎসব করেছিল তারা।

এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তাদের মাটিতে ৬টি টেস্ট খেলেছে বাংলাদেশ। হেরেছে সব কটি ম্যাচই। পাঁচটিই আবার ইনিংস ব্যবধানে। টেস্ট ক্রিকেট বরাবরই বাংলাদেশের জন্য বড় অগ্নিপরীক্ষার জায়গা। তবে এবারের প্রেক্ষাপট কিছুটা ভিন্ন। মাত্রই দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রায় একতরফা খেলে ওয়ানডে সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে বাংলাদেশ। সেটি পুরো শক্তির প্রোটিয়া দলের বিপক্ষে। আইপিএলের কারণে টেস্ট সিরিজে সেরা ক্রিকেটারদের পাচ্ছে না দক্ষিণ আফ্রিকা। কাগিসো রাবাদা, লুঙ্গি এনগিডিদের মতো ফাস্ট বোলাররা নেই সিরিজে। কিংসমিডের উইকেটে গতি আর বাউন্স থাকলেও তাঁদের জায়গায় আসা পেসাররা কি সেটা কাজে লাগাতে পারবেন!

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন