মাশরাফি বিন মুর্তজার নাম ড্রাফটে না থাকলেও উন্মুক্ত খেলোয়াড় হিসেবে থাকছেন তিনি।
মাশরাফি বিন মুর্তজার নাম ড্রাফটে না থাকলেও উন্মুক্ত খেলোয়াড় হিসেবে থাকছেন তিনি। প্রথম আলো ফাইল ছবি

বিপিএলের আদলে এ মাসেই শুরু হচ্ছে বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপ। পাঁচ দলের টুর্নামেন্টের প্লেয়ার্স ড্রাফট হবে কাল, এতে থাকবে ১৫৭ জন খেলোয়াড়ের নাম। হোটেল লা মেরিডিয়ানে দুপুর ১২টায় শুরু হবে ড্রাফট। ফিটনেস পরীক্ষা না দেওয়ায় ড্রাফটের তালিকায় নেই মাশরাফি বিন মুর্তজা। তবে উন্মুক্ত খেলোয়াড় হিসেবে তাঁকে চাইলে নিতে পারবে যেকোনো দল।

ড্রাফটের খেলোয়াড়দের ভাগ করা হয়েছে চার শ্রেণিতে। ‘এ’ শ্রেণিতে আছেন পাঁচ ক্রিকেটার—মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ, সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল ও মোস্তাফিজুর রহমান। এই পাঁচ ক্রিকেটারের পারিশ্রমিক ১৫ লাখ টাকা করে। ‘বি’ শ্রেণিতে থাকা ২১ ক্রিকেটারের পারিশ্রমিক ১০ লাখ টাকা। ‘সি’ শ্রেণিতে থাকা ২৩ খেলোয়াড়ের ৬ লাখ টাকা ও ‘ডি’ শ্রেণির ১০৮ খেলোয়াড়ের পারিশ্রমিক ধরা হয়েছে ৪ লাখ টাকা করে। একটি দল সর্বোচ্চ ১৬ জন খেলোয়াড়কে নিতে পারবে।

বিজ্ঞাপন
মাশরাফির হ্যামস্ট্রিং চোট আছে। আশা করছি, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে তাকে পাওয়া যাবে। তখন কোনো দল চাইলে ওকে নিতে পারবে।
মিনহাজুল আবেদীন, প্রধান নির্বাচক

হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে পড়া মাশরাফি বিন মুর্তজা ড্রাফটে না থাকলেও তাঁর জন্য একটি সুযোগ রাখছে বিসিবি। বাংলাদেশ দলের সাবেক এই অধিনায়ককে উন্মুক্ত রাখা হচ্ছে। বিসিবির প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন বলেছেন, ‘মাশরাফির হ্যামস্ট্রিং চোট আছে। আশা করছি, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে তাকে পাওয়া যাবে। তখন কোনো দল চাইলে ওকে নিতে পারবে। আশা করছি, খুব তাড়াতাড়ি সে খেলায় ফিরবে।’

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি দিয়ে মাশরাফির ফেরাটা এখনো নিশ্চিত না হলেও আরেক তারকা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান ফিরছেন এই টুর্নামেন্ট দিয়েই। আজ তিনি বিপ টেস্ট দিয়েছেন, উতরেও গেছেন। সাকিবের ফিটনেস নিয়ে মিনহাজুল বলেছেন, ‘প্রায় ৯৮ শতাংশ ক্রিকেটারই ফিটনেস পরীক্ষায় ভালো করেছে। যারা ভালো করেনি, তাদের ড্রাফটে রাখা হয়নি। সাকিবও আজ ফিটনেস পরীক্ষা দিয়েছে। সে আমাদের ধরে দেওয়া মানের একবারে কাছেই আছে। ট্রেনাররা সন্তুষ্ট তার ফিটনেস নিয়ে।’

default-image

ফিটনেস পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়ায় ড্রাফটে সুযোগ পাননি নাসির হোসেন, সোহাগ গাজী, শুভাশিস রায়ের মতো খেলোয়াড়েরা। এরই মধ্যে পাঁচ দলের কোচিং স্টাফ ও ম্যানেজার ঠিক হয়ে গেছে। ঢাকার প্রধান কোচ খালেদ মাহমুদ, চট্টগ্রামের মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, খুলনার মিজানুর রহমান, রাজশাহীর সরওয়ার ইমরান ও বরিশালের প্রধান কোচ সোহেল ইসলাম।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0