১৩৮-এর পর ৪০৭। বাজে ব্যাটিংয়ের পর হার না-মানা দৃঢ়তা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ক্রাইস্টচার্চ টেস্টে শ্রীলঙ্কাকে হারতেই হলো, ব্যবধানটা বড়ই। প্রথম টেস্টে ৮ উইকেটে জয়, বছরে পঞ্চম জয়ে নতুন ইতিহাসও গড়ল নিউজিল্যান্ড। ১৯৩০ সালে টেস্ট অভিষেকের পর এই প্রথম এক পঞ্জিকাবর্ষে পাঁচ ম্যাচ জিতল কিউইরা।
প্রথম ইনিংসের ৩০৩ রানের ঘাটতি পুষিয়ে নিউজিল্যান্ডকে ১০৫ রানের লক্ষ্য দেয় শ্রীলঙ্কা। ২ উইকেট হারিয়ে নিউজিল্যান্ড লক্ষ্যটা ছুঁয়ে ফেলে চতুর্থ দিনের চা-বিরতির কিছু পরেই। নিউজিল্যান্ডকে আবারও ব্যাট করাতে দরকার ছিল ১০ রান। ৫ উইকেট হাতে নিয়ে চতুর্থ দিন শুরু করা শ্রীলঙ্কা দিনের তৃতীয় ওভারেই নিশ্চিত করে ফেলে সেটা। তবে নিউজিল্যান্ডকে ১০০ রানের বেশি লক্ষ্য দিতে বড় ভূমিকা শ্রীলঙ্কার শেষ জুটির। ৩৪৮ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর ইরাঙ্গা-লাকমল মাত্র ৯.৩ ওভারেই যোগ করেন ৫৯ রান। ক্যারিয়ার-সর্বোচ্চ ৪৫ রানে অপরাজিত ছিলেন ইরাঙ্গা।
হ্যাগলি ওভালের বোলার-বান্ধব সবুজ উইকেটে টস জিতে বল করতে চেয়েছিলেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। কিন্তু টস হেরে ব্যাট করে সেই উইকেটেই ধ্বংসলীলা চালিয়ে স্বাগতিকেরা তোলে ৪৪১ রান। ১৩৪ বলে ১৯৫ রান, ধ্বংসযজ্ঞে নেতৃত্ব দেওয়া ম্যাককালাম মানছেন প্রথম ইনিংসটাই গড়ে দিয়েছে জয়ের ভিত্তি। সেই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েই বোলাররা গতি ও সুইংয়ে জেরবার করেছেন শ্রীলঙ্কাকে।
শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুসও একমত, প্রথম ইনিংসটাই গড়ে দিয়েছে ব্যবধান, ‘কেউ একজন মাত্র দুই সেশনেই যদি প্রায় ডাবল সেঞ্চুরি করে ফেলে তাহলে কার কী-ই বা করার থাকে। ব্রেন্ডনের ইনিংসটা অবিশ্বাস্য ছিল। সে ঠিক টি-টোয়েন্টির মতো খেলল।’ অবিশ্বাস্য এই ইনিংস খেলেই ম্যাচসেরা হয়েছেন ম্যাককালাম।
দুই ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট শুরু ৩ জানুয়ারি, ওয়েলিংটনে। এএফপি।

বিজ্ঞাপন
ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন