বাংলাদেশ পরের উইকেট পেয়েছে চা-বিরতির আগে শেষ বলে। একটু বেশি ফ্লাইট দেওয়া বলে ডিফেন্ড করতে গিয়ে মিস করেছেন কিগান পিটারসেন, আম্পায়ার আলাউদ্দিন পালেকারের দেওয়া এলবিডব্লুর সিদ্ধান্ত রিভিউ করেও বাঁচতে পারেননি।

এ সেশনে আলোচনায় ছিল বাংলাদেশ ফিল্ডারদের চোটও। প্রথম ওভারেই বুকে আঘাত পেয়ে স্ট্রেচারে করে মাঠ ছেড়েছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ইবাদত হোসেনের বলে কাট করেছিলেন সারেল এরউয়ি, যেটিতে ক্যাচ উঠেছিল। তবে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে দাঁড়িয়ে থাকা মিরাজ সেটি খেয়ালই করেননি। বল গিয়ে সরাসরি লাগে তাঁর বুকের কাছে, সঙ্গে সঙ্গেই পড়ে যান মিরাজ। ফিজিওর পর আসে মেডিকেল টিমও। মিরাজকে মাঠ থেকে বের করে নিয়ে যাওয়া হয় স্ট্রেচারে করে। পরে পিটারসেনের শট গিয়ে সরাসরি দুই পায়ের মাঝখানে লাগে সিলি পয়েন্টে থাকা মাহমুদুল হাসানকে। যদিও দুজনের কারোরই গুরুতর কিছু হয়নি। মিরাজ মাঠে ফিরে পরে বোলিং-ও করেছেন ৭ ওভার। উইকেট না পেলেও এ সেশনে ৪-এর নিচে ইকোনমি রেট ছিল শুধু মিরাজেরই।

এর দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই প্রথম ইনিংসে ২১৭ রান তুলতে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। ৫ উইকেটে ১৩৯ রান নিয়ে দিন শুরু করেছিলেন মুশফিকুর রহিম ও ইয়াসির আলী, প্রথম ঘণ্টায় অবিচ্ছিন্নই ছিলেন তাঁরা। তবে ইয়াসির আলী থামেন অর্ধশতক থেকে ৪ রান দূরেই। মধ্যাহ্ন বিরতির মিনিট পাঁচেক আগে ‘আত্মহত্যা’ করেছেন মুশফিক, সাইমন হারমারের ফুল লেংথের বলে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হয়েছেন। বিরতির পর তাইজুল ইসলাম, মেহেদী হাসান মিরাজ ও ইবাদত হোসেন ফেরেন ১৪ বলের মধ্যেই।

প্রথম ইনিংসে ২৩৬ রানে পিছিয়ে থাকা বাংলাদেশের জন্য এই টেস্ট বাঁচানো এখন প্রায় অসম্ভব এক লড়াইয়ের অন্য নাম।