default-image

পাকিস্তানের জনপ্রিয় এক ক্রিকেট ব্লগের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টে প্রশ্ন করা হয়, ‘তামিম ইকবাল কি বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রিকেটার?’

সেখানে অনেকে অনেক রকম জবাব দেন। তবে বেশির ভাগ ক্রিকেটপ্রেমী একমত, তামিমের ব্যাটিং দেখার মতো এবং পিএসএলে সবাই তা ভালোই উপভোগ করছেন। অথচ প্লে-অফের দুটি ম্যাচে তামিমের পরিসংখ্যান বলছে, নিজের সেরাটা তামিম সম্ভবত জমিয়ে রেখেছেন ফাইনালের জন্য!

বিজ্ঞাপন

খেলাধুলায় অবশ্য জমিয়ে রাখা বলতে কিছু হয় না। সব ম্যাচেই নিজের সেরাটা নিংড়ে দিতে হয়। কখনো সফলতা ধরা দেয়, কখনো দেয় না। তবে ভালো করার আভাস থাকলে আশা জাগবেই।

পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) তামিমের শেষ দুটি ইনিংসে সেই আভাস ভালোই ছিল। পেশোয়ার জালমির বিপক্ষে ২ চার ও ১ ছক্কায় ১০ বলে ১৮ রান করে আউট হয়েছিলেন।

default-image

কাল মুলতান সুলতানসের বিপক্ষে আউট হন ২০ বলে ৩০ রান করে। ছিল ৫টি চারের মার। ৪.৫ ওভারে তামিম যখন আউট হলেন, তাঁর দল লাহোর কালান্দার্সের স্কোর ৪৬। অর্থাৎ সে সময় পর্যন্ত দলীয় স্কোরের ৬৫.২১ শতাংশ রান এসেছে তামিমের ব্যাট থেকে।

কিন্তু দ্রুত আউট হয়ে যাওয়ায় তামিমের দুটি ইনিংস থেকে পূর্ণ তৃপ্তি তুলে নেওয়ার সুযোগ হয়নি। আর তাই ফাইনালের অপেক্ষায় আছেন তামিমের ভক্তরা।

বিজ্ঞাপন

কাল পিএসএলের ফাইনালে করাচি কিংসের মুখোমুখি হবে কালান্দার্স। এ ম্যাচে ভালো করতে পারলে পাকিস্তানে তামিমকে নিয়ে আলোচনাটা আরও বেশি হওয়াই স্বাভাবিক।

তামিম ভালো শুরু এনে দেওয়ার পর ৬ উইকেটে ১৮২ রান তুলেছিল কালান্দার্স। ২১ বলে ৪৮ রানে অপরাজিত ছিলেন কালান্দার্সের ডেভিড ভিসে। তাড়া করতে নেমে পুরো ২০ ওভারও খেলতে পারেনি মুলতান সুলতানস। ১৯.১ ওভারে ১৫৭ রানে অলআউট হয় দলটি।

মুলতান ওপেনার অ্যাডাম লিথের ব্যাট থেকে এসেছে সর্বোচ্চ রান, ২৯ বলে ৫০। ২৫ রানের বড় জয়ে কালান্দার্সের ফাইনালে ওঠার অন্যতম কারিগর ভিসে। বল হাতে ৩ উইকেটও নেন তিনি। হারি রউফও নেন ৩ উইকেট।

লাহোর কালান্দার্স তাদের নিয়মিত ওপেনার ক্রিস লিনকে প্লে-অফের ম্যাচে না পাওয়ায় এই অস্ট্রেলিয়ানের জায়গায় খেলছেন তামিম। ঠিক যেভাবে ইংলিশ অলরাউন্ডার মঈন আলীর জায়গায় মুলতানে ডাক পেয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ।

মন্তব্য পড়ুন 0