বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

এমনিতে ২০১৬ সালের পর প্রথমবার হোবার্টে হতে যাচ্ছে কোনো টেস্ট। তবে হোবার্ট যে রাজ্যের, সেই তাসমানিয়া সরকারপ্রধান জানিয়েছেন, তাঁর রাজ্যে এই ম্যাচ আয়োজন করা হবে কি না, সে ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি এখনো। আফগানিস্তানে মেয়েদের খেলায় অংশগ্রহণের অনিশ্চয়তার সঙ্গে আছে হোবার্টে হাজারা সম্প্রদায়ের বসবাসের সম্পর্কও।

হাজারা আফগানিস্তানের অন্যতম বৃহত্তম সংখ্যালঘু সম্প্রদায়। তালেবানের আগের আমলেও বেশ নির্যাতনের শিকার হয়েছিল হাজারারা। এমনকি গত জুলাইয়েও তাদের ওপর হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে তালেবান। হোবার্টের হাজারা সম্প্রদায়ের সঙ্গে কথা বলেই আফগানিস্তানের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট আয়োজনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তাসমানিয়ার সরকারপ্রধান পিটার গুটউইন।

default-image

গতকাল রাজ্যের এক বাজেট শুনানিতে বক্তব্য দেওয়ার সময় গুটউইন বলেছেন, ‘এ রাজ্যের ম্যাচটা আয়োজন করা উচিত কি না, সেটা নিয়ে উদ্বিগ্ন আমি। সে দেশে মেয়েদের খেলার ভবিষ্যৎ কী, সে ব্যাপারে পরিষ্কার কোনো ধারণা নেই আমাদের এখনো।’
আপাতত রাজ্যের হাজারা সম্প্রদায়ের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি, ‘আমার যেটা ইচ্ছা, এ সপ্তাহের শেষে হাজারা সম্প্রদায়ের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা। স্থানীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গে কথা বলে এ ম্যাচটা হওয়া উচিত কি না, সে ব্যাপারে তাদের মতটা জানা।’

স্থানীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গে কথা বলার পর ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে এ ব্যাপারে আলোচনার কথাও জানিয়েছেন তিনি, ‘যদি আমাদের স্থানীয় সম্প্রদায় ভাবে যে এ ম্যাচটা আয়োজন করা উচিত, তাহলে তো ভিন্ন কথা। তবে আমাদের পরামর্শ দরকার।’

এদিকে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া জানিয়েছে, আইসিসি ও অস্ট্রেলিয়া সরকারের সঙ্গে এ টেস্টের ব্যাপারে আলোচনা করছে তারা। বোর্ডের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ‘মেয়েদের ক্রিকেট বৈশ্বিকভাবে ছড়িয়ে দেওয়ার ব্যাপারে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া নিজেদের নেতৃস্থানীয় ভূমিকায় দেখে। আমাদের লক্ষ্য হলো ক্রিকেটকে সবার খেলা হিসেবে দাঁড় করানো। এ খেলার প্রতি পর্যায়েই ছেলে ও মেয়েদের আমরা সর্বতো সমর্থন দিতে চাই।’

গত বছর হওয়ার কথা থাকলেও করোনাভাইরাসের কারণে আফগানিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া টেস্ট পিছিয়ে গিয়েছিল। এরপর ২৭ নভেম্বর নতুন সূচি ঘোষণা করা হয়।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন