বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের আগে বাংলাদেশ দলের কোচিং স্টাফের সমালোচনা করেছিলেন মাশরাফি। বিশেষ করে প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গোর সঙ্গে দলের সিনিয়র ক্রিকেটারদের সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে তিনি মন্তব্য করেন।

কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকায় সিরিজ জয়ের পর অবশ্য মাশরাফি কোচিং স্টাফের প্রশংসাই করেছেন। আজ এ প্রসঙ্গে মাশরাফি বলছিলেন, ‘কৃতিত্ব দিতেই হবে কোচিং স্টাফে যাঁরা আছেন, তাঁদের। কারণ, একটা জয়ের পেছনে কিন্তু সবারই অবদান থাকে। আমাদের দেশে যেটা হয়, হারলে পরে শুধু খেলোয়াড়দের ওপর দিয়ে যায়। মাঠে ১১ জন খেলোয়াড় খেলে কিন্তু তাদের মানসিকতা ঠিক আছে কি না, সেই জিনিসগুলোয় খেয়াল রাখা খুব প্রয়োজন।’

বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের সাফল্য বিশ্বকাপের স্বপ্নটাকে আরও উজ্জ্বল করে তুলছে। মাশরাফিও তামিমের এই ওয়ানডে দল নিয়ে আশাবাদী। ভাগ্য সহায় হলে বাংলাদেশই হয়তো আগামী ভারত বিশ্বকাপে উঁচিয়ে ধরবে শিরোপা।

default-image

মাশরাফি যেমন বলছিলেন, ‘বিশ্বকাপ জিততে হলে ভাগ্য লাগে। আমি ২০১৯ বিশ্বকাপের পর বলেছিলাম, এই দলের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য যা দরকার, সবকিছুই আছে। তবে ক্রিকেটারদের সে পর্যন্ত ফিট থাকতে হবে। এখনো দেড় বছর বাকি। অনেকগুলো সিরিজ আছে। সেগুলো ভালোভাবে শেষ করা, গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটারদের বিশ্বকাপের আগে ফর্মে থাকা জরুরি। এই দল সেমিফাইনালে উঠবে, এই বিশ্বাস আমার আছে। বিশেষ করে ভারতে যেহেতু খেলা। তবে শুধু ভালো খেললে হবে না, ভাগ্যও লাগবে।’

তবে বিশ্বকাপের আগে ছন্দ ধরে রাখাটা গুরুত্বপূর্ণ। ২০১৫ ও ২০১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা থেকে মাশরাফি বলছিলেন, ‘ওয়ানডে দল ২০১৫ থেকে ভালো খেলছে এবং এখন যে জায়গায় আছে, তাতে আমরা ভালো কিছু প্রত্যাশা করতে পারি। সেটা শুধু মানুষ নয়, খেলোয়াড়েরাও বিশ্বাস করে। কারণ, ৫-৬ বছর ধরে ঘরের মাঠে বেশির ভাগ সিরিজই আমরা জিতেছি। দেশের বাইরেও কিছু কিছু টুর্নামেন্টে ভালো খেলেছি এবং ত্রিদেশীয় সিরিজও প্রথমবার দেশের বাইরে জিতেছি। এখন আমরা আরেকটা পর্যায়ে গিয়েছি, সিরিজ জিতেছি এবং এই পারফরম্যান্স ধরে রাখা এখন গুরুত্বপূর্ণ।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন