default-image

বিশ্বকাপে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইংল্যান্ড এর আগে হেরেছে চার ম্যাচ। রানের ব্যবধানে সবচেয়ে বড় হার ছিল মাত্র ৭ রানে। কিন্তু পেছনের রেকর্ডকে আজ বিরাট ব্যবধানেই ছাড়িয়ে গেল ইংলিশরা। বিশ্বকাপের উদ্বোধনী দিনে এমসিজিতে একেপেশে ম্যাচে ১১১ রানে হারল ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপে এটি তাদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বড় ব্যবধানে পরাজয়।
অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ৩৪৩ রানের পাহাড় তাড়া করতে গিয়ে শুরুতেই ভড়কে গেল ইংলিশরা। দুই মিচেল—মার্শ ও স্টার্কের তোপে খাবি খেতে লাগল টপ-অর্ডার। ২১.২ ওভারে ৯২ রান তুলতেই সাজঘরের পথ ধরলেন ছয় ব্যাটসম্যান! এ ছয়টির পাঁচটিই আবার জিওফ মার্শের ছোট ছেলের দখলে! অবশ্য ১০ রান করা মঈন অালীকে ফিরিয়ে ‘ধ্বংসযজ্ঞে’র গোড়াপত্তনটা করেছিলেন স্টার্কই। এরপর সপ্তম উইকেটে ক্রিস ওকস-জেমস টেলরের কিছুটা প্রতিরোধ। এ জুটিতে আসে ৯২ রান। দুই মিচেল যদি ইংলিশদের গুঁড়িয়ে দেওয়ার কাজটা শুরু করেন, সেটি শেষ করেন আরেক ‘মিচেল’—জনসন। ৩৭ রান করা ওকসকে ফিরিয়ে ইংলিশদের প্রতিরোধটুকুও ভেঙে দেন। সতীর্থদের অসহায় আত্মসমর্পণের মধ্যেই এক প্রান্তে আগলে ছিলেন টেলর। ৯৮ রানে অদ্ভুত এক রানআউট তাঁকে সেঞ্চুরি বঞ্চিত করে। যদিও সেই রানআউট নিয়ে নিশ্চয়ই প্রশ্ন তুলবে ইংলিশ সংবাদমাধ্যম।
ইংলিশদের ইনিংস থামে ৪১.৫ ওভারে ২৩১ রানে। অস্ট্রেলিয়ার ফিল্ডারদের হাত পিচ্ছিল না হলে ইংলিশদের লজ্জাটা আরও বড়ই হতো!
পরের ইনিংসটা যদি ‘মিচেলময়’ তবে আগেরটি নিঃসন্দেহে ‘ফিন’ময়। একজন ফিন, অন্যজন ফিঞ্চ। প্রথম ইংলিশ পেসার হিসেবে বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিকের কীর্তি গড়েছেন স্টিভেন ফিন। অন্যদিকে প্রথম বিশ্বকাপে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করলেন অস্ট্রেলিয়ার কোনো ব্যাটসম্যান। ফিঞ্চের সেঞ্চুরিতে প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ দাঁড়ায় ৯ উইকেটে ৩৪২। রানআউটে কাটা পড়ার আগে ফিঞ্চের সংগ্রহ ১৩৫ রান। এ ছাড়া ফিফটি পেয়েছেন জর্জ বেইলি (৫৫) ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (৬৬)। ইংলিশদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫ উইকেট ফিনের।

বিজ্ঞাপন
ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন