বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

উড অবশ্য এই হারকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন। এই পেসারের ধারণা, সেমিফাইনালেই ঘুরে দাঁড়াবে ইংল্যান্ড, ‘এটা হতাশাজনক যে আমরা ম্যাচটা হেরেছি। এই হার আমাদের বড়সড় একটা ধাক্কা দিয়ে মাটিতে নামিয়ে এনেছে। এই হার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে, আমাদের আরও অনেক বিষয়ে কাজ করতে হবে। আমরা কখনোই হারতে চাই না। আমরা তেমন একটা হারি না, কিন্তু যদি হারি, সঙ্গে সঙ্গেই ঘুরে দাঁড়াই। এই হার আমাদের একটা শিক্ষা দিয়েছে, আমাদের আরও অনেক বিষয়ের ওপর কাজ করতে হবে।’

শুরুতে ব্যাটিং করে ফন ডার ডুসেনের ৬০ বলে ৯৪ এবং এইডেন মার্করামের ২৫ বলে ৫২ রানে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৮৯ রানের বড় সংগ্রহ করে দক্ষিণ আফ্রিকা। জবাবে ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৭৯ রানে থামে ইংল্যান্ডের ইনিংস। প্রোটিয়াদের নিয়ে প্রশংসা ঝরে পড়ল উডের কথায়, ‘দক্ষিণ আফ্রিকা খুবই ভালো ব্যাটিং করেছে। ওরা মাত্র ২ উইকেট হারিয়েছে। আমরা সব সময় পাওয়ারপ্লেতে প্রতিপক্ষের উইকেট তুলে নিয়ে খেলার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। কোনো কারণে আমরা এই ম্যাচে সেটা করতে পারিনি। অনুশীলনে আমাদের এ বিষয় নিয়ে কাজ করতে হবে এবং পরের ম্যাচে ভালো করতে হবে।’

বিশ্বকাপের শুরুতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে গোড়ালিতে চোট পান উড। এ কারণে বিশ্বকাপের প্রথম চার ম্যাচে খেলতে পারেননি তিনি। পঞ্চম ম্যাচে দলে ফিরতে পেরে বেশ স্বস্তিবোধ করছেন বলে জানান তিনি, ‘দলে ফিরতে পারা সব সময়ই ভালো একটা ব্যাপার। কিন্তু ম্যাচ জেতা এর চেয়েও ভালো ব্যাপার।’ দল খুবই ভালো খেলছিল বলে তাঁর কোনো ফেরার তাড়া ছিল না, ‘আমি গোড়ালিতে ইনজেকশন দিয়েছিলাম, কিন্তু সেরে উঠতে যত দিন লাগবে ভেবেছিলাম, তার চেয়েও বেশি সময় লেগে গেল। ভেবেছিলাম প্রথম দুই ম্যাচের মধ্যেই ঠিক হয়ে যাব, কিন্তু দল এত ভালো করছিল যে আমার মধ্যে কোনো তাড়াহুড়া ছিল না। এখনো মাঝেমধ্যে একটু ব্যথা হয়, কিন্তু আমার মনে হয় আমি আমার কাজটা ঠিকভাবেই করতে পারব।’ সেমিফাইনালে সেই নিউজিল্যান্ডেরই মুখোমুখি হবেন উড।

default-image

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বোলিংটা ভালো হয়নি উডের। ৪ ওভার বোলিং করে ৪৭ রান দিয়ে উইকেটশূন্য ছিলেন। নিজের বোলিং নিয়ে হতাশা ফুটে উঠল তাঁর কথায়, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমি পরিকল্পনা অনুযায়ী বোলিং করতে পারিনি। যখন খেলার জন্য প্রস্তুত হবেন, তখন আপনাকে দলের জন্য ভালো কিছু করতে হবে। যে বিষয় আমাকে সবচেয়ে বেশি হতাশ করেছে, সেটা হলো আমি খুব বেশি ডট বল দিতে পারিনি। আমার ওভারগুলোয় বেশ কিছু চার ও ছয় হয়েছে, যেগুলো খুবই হতাশাজনক।’

১০ নভেম্বর রাত ৮টায় বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন