বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর এ টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। ৬ ইনিংসে ৬০.৬০ গড়ে ৩০৩ রান করেছেন তিনি। ওয়ার্নার ৭ ইনিংসে ৪৮.১৬ গড়ে তুলেছেন ২৮৯ রান। চারটি অর্ধশতক আছে বাবরের, ওয়ার্নার পেয়েছেন তিনটি অর্ধশতকের দেখা।

বাবর রানসংখ্যা, ব্যাটিং গড় ও অর্ধশতকে এগিয়ে থাকায় বাবরের হাতে টুর্নামেন্ট–সেরার পুরস্কার দেখেছেন শোয়েব আখতার। তবে তা না হওয়ায় ক্ষোভ দমিয়ে রাখতে পারেননি পাকিস্তানের সাবেক এ পেসার। ওয়ার্নারের টুর্নামেন্ট–সেরা হওয়াকে ‘অন্যায্য সিদ্ধান্ত’ বলে মন্তব্য করেন টুইটে। কিন্তু ওয়াসিম আকরাম বিষয়টি দেখছেন বিশ্লেষকের চোখে।

default-image

পাকিস্তানি স্পোর্টস চ্যানেল ‘এ স্পোর্টস’কে কিংবদন্তি এ পেসার বলেন, ‘সবচেয়ে বেশি রান নয়, কেমন প্রভাব রেখেছে, সেটাও দেখেছেন তাঁরা (নির্বাচকেরা)। টুর্নামেন্টে একজন খেলোয়াড় তাঁর দলের জন্য কতটা প্রভাব রেখেছেন, এটা দেখেছেন তাঁরা। সে দিক থেকে ওয়ার্নার তো একাই অস্ট্রেলিয়াকে কিছু ম্যাচ জিতিয়েছেন। পাশাপাশি তারা বিশ্বকাপও জিতেছে। এরপর আর কী লাগে!’

ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দারুণ তিনটি ইনিংস খেলেন ওয়ার্নার। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খেলেন ৮৯ রানের অপরাজিত ইনিংস। সেমিফাইনালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ার্নারের ৩০ বলে ৪৯ রানের ইনিংস অস্ট্রেলিয়ার জয়ের ভিত গড়ে দেয়।

ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৩৮ বলে ৫৩ রানের ইনিংসেও অস্ট্রেলিয়ার জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন বাঁহাতি এ ওপেনার।

সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৩৪ বলে ৩৯ রান করেন বাবর। ওই ইনিংস খেলার পথে একটি রেকর্ডও গড়েন তিনি। অভিষেক টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপেই সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়ার পথে নিজ দলের ব্যাটিং পরামর্শক ম্যাথু হেইডেনকে টপকে যান বাবর। ২০০৭ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ২৬৫ রান করেছিলেন হেইডেন।

বাবর এবার টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দারুণ ফর্মে থাকলেও তা পাকিস্তানকে ফাইনালে তুলতে পারেনি। কিন্তু ওয়ার্নার শুরুতে বাজে খেললেও টুর্নামেন্ট গড়িয়ে চলার সঙ্গে সঙ্গে দলের জয়ে দারুণ সব ইনিংস খেলে বড় ভূমিকা রাখেন।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন