default-image

কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা পেতে মেলবোর্নে বাংলাদেশের বিপক্ষে জয়টা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। দুর্দান্ত ব্যাটিং করে সহজ জয় আসলেই আনন্দের। আমাদের বোলিংও খুব ভালো হয়েছে, বিশেষ করে লাসিথ মালিঙ্গা তার সেরা ফর্মের কিছুটা ঝলক দেখিয়েছে। যদিও আমাদের ফিল্ডিং আরও ভালো করতে হবে।
সব মিলিয়ে শ্রীলঙ্কার জন্য দারুণ একটা সপ্তাহ গেল। ছন্দ ফিরে পেতে আমাদের এ রকম কয়েকটা জয়ের দরকার ছিল। সামনের ম্যাচগুলো আমরা এই ছন্দ নিয়ে খেলতে চাই। ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচগুলো অবশ্য মোটেও সহজ হবে না। তবে গত কয়েক দিনে পাওয়া আত্মবিশ্বাস খুব কাজে দেবে।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচটা অবশ্য প্রত্যাশার চেয়ে একটু বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়েছে। পুরো কৃতিত্বই আফগানদের। সহযোগী দেশ হয়েও তারা দারুণ লড়াই করেছে। প্রথম ১০-১৫ ওভারে তারা দারুণ বল করেছে। তবে আরও একবার মাহেলা জয়াবর্ধনে মাথা ঠান্ডা রেখে দুর্দান্ত একটা সেঞ্চুরি করেছে, জয় এনে দিয়েছে আমাদের।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আমাদের পরের ম্যাচটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের শুরুটা হয়েছে নড়বড়ে। তাদের সমর্থকেরা হতাশ, সংবাদমাধ্যম ধুয়ে দিচ্ছে। এ অবস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য মরিয়া হয়ে থাকবে ইংল্যান্ড। দুর্দান্ত কিছু খেলোয়াড় আছে তাদের দলে। জয়ের ধারাটা ধরে রাখতে হলে আমাদের তাই সেরাটা নিংড়ে দিতে হবে।
বিশ্বকাপও জমে উঠছে ধীরে ধীরে। বিশেষ করে সহযোগী দেশগুলো রোমাঞ্চকর কিছু ম্যাচ উপহার দিয়েছে। আয়ারল্যান্ড আর আফগানিস্তানের পারফরম্যান্স দেখে অন্যরাও অনুপ্রাণিত হবে।
এরই মধ্যে আমরা ক্রিস গেইল, ডি ভিলিয়ার্স, শিখর ধাওয়ান ও তিলকরত্নে দিলশানের ব্যাট থেকে দারুণ কয়েকটা সেঞ্চুরিও দেখেছি। বিশেষ করে গতকাল ডি ভিলিয়ার্সের ইনিংসটা তো শ্বাসরুদ্ধকর। কী সব দুর্দান্ত শট খেলেছে সে! এতেই বোঝা যায় সামর্থ্য আর সৃষ্টিশীলতা খেলাটিকে কোথায় নিয়ে গেছে।
পাকিস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে পরপর দুটি জয় দিয়ে ভারতের শুরুটা দারুণ হয়েছে। আশা করছি, আজ সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষেও সহজেই জিতবে ভারত এবং গ্রুপের শীর্ষে উঠে যাবে। (গেমপ্ল্যান)।

বিজ্ঞাপন
ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন