বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

টস জিতে আগে বোলিং নেওয়া বাংলাদেশ শুরুতে দারুণভাবে চেপে ধরে নিউজিল্যান্ডকে। তাসকিন, শরীফুলদের সুইং আর নিয়ন্ত্রণে বেশ অস্বস্তিতেই পড়েন নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা। ইয়াং-কনওয়েদের ইচ্ছার বাইরে গিয়ে বলে ব্যাট লাগাতে বাধ্য করছিলেন তাসকিনরা। সাফল্য পেতেও দেরি হয়নি।

default-image

চতুর্থ ওভারের তৃতীয় বলেই শরীফুলের ভেতরে ঢোকা বল লাগে নিউজিল্যান্ডের উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান টম ল্যাথামের ব্যাটের কানায়। উইকেটের পেছনে লিটন দাস দারুণ ঝাঁপিয়ে ক্যাচ নেন।

সে সময় প্রথম ৯ ওভারের মধ্যে ৭টিই মেডেন নেন তাসকিন ও শরীফুল। দশম ওভারের প্রথম বলে শরীফুলের বলে চার মারেন উইল ইয়াং, ম্যাচের প্রথম বাউন্ডারি সেটি।

কিন্তু ম্যাচে যত সময় গেছে ততই বলের সুইং ও বাউন্স কমেছে, পিচ শুকিয়েছে। নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানদের নিয়ন্ত্রণও তাতে আরও বেড়েছে। বাংলাদেশের বোলাররা খুব বেশি ভুল করেননি, কিন্তু নিউজিল্যান্ডও টেস্টের প্রথম ঘন্টা দারুণভাবে পার করে দেওয়ার সুফল পেতে শুরু করে।

default-image

তিনে নামা ডেভন কনওয়ে ১৫তম ওভারে ইবাদতকে দুটি চার মেরে রানের গতি বাড়ানো শুরু করেন। এরপর উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান উইল ইয়াংইয়ের সঙ্গে মিলে দারুণ জুটি গড়ে তোলেন কনওয়ে।

বাংলাদেশের বোলারদের বল মাঝে মধ্যে তাঁদের ব্যাটকে ফাঁকি দিয়েছে, কখনো বা ব্যাটের কানা ছুঁতে ছুঁতেও ছোঁয়নি, তবে নিউজিল্যান্ডের বিপদ আর বাড়তে দেননি কনওয়ে-ইয়াং। বাংলাদেশও শুরুর আনন্দটা আর টেনে নিতে পারল না।

২৭ ওভারে ১ উইকেটে ৬৬ রান নিয়ে মধ্যাহ্নবিরতিতে গেছে নিউজিল্যান্ড। দ্বিতীয় উইকেটে ৬৫ রানের জুটিতে কনওয়ের রান ৩৬, ইয়াং অপরাজিত ২৭ রানে।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন