default-image

পশ্চিমবঙ্গের শিবপুরের বিধায়ক তিনি। তিওয়ারি এনডিটিভিকে জানিয়েছেন, তিনি খুব সহজেই মন্ত্রিত্ব আর ক্রিকেটীয় সত্ত্বার মধ্যে সমন্বয় করে চলেছেন, ‘আসলে পুরোটাই নির্ভর করে আপনি বিষয়টি কীভাবে সামলাচ্ছেন, তার ওপর। আমি আমার আসন শিবপুরে দারুণ একটা কর্মিবাহিনী তৈরি করেছি। তারা আমাকে কাজে সাহায্য করে। আমি যেখানেই খেলি, আমার অফিসের কাগজপত্র আমার হোটেলে পৌঁছে দেয় তারা। আমি দিনের খেলা শেষে বিকেলে হোটেলে বসে প্রয়োজনীয় অফিশিয়াল কাজ সারি, সইটই করি। সেটি কর্মীরা জায়গামতো নিয়ে যায়।’

তিওয়ারি নিশ্চিত করেন, প্রয়োজনের সময় যেন তাঁর কর্মীরা তাঁকে ফোনে পান, ‘আমার যেদিন খেলা থাকে, সেটা কর্মীরা জানে। সে অনুযায়ী তারা আমাকে ফোন করে, খেলার বাইরের সময়টা কর্মীরা যেন আমাকে পায়, সেটি আমি নিশ্চিত করি। কর্মীরা খুবই ভালো আর কর্মঠ। আমাকে যেকোনো কর্মী জরুরি প্রয়োজনে গভীর রাতেও ফোন দিতে পারে। আমি সব সময়ই প্রস্তুতিতে বিশ্বাস করি। সবকিছু ঠিকঠাক মতো করতে ভালো প্রস্তুতি খুবই প্রয়োজন। সেটি আমি নিশ্চিত করি। আসলে আমি যখন ক্রিকেট খেলি, তখন আমি কেবল ক্রিকেটই খেলি, রাজনীতি নিয়ে তখন আমি আর ভাবি না। রাজনীতি করা, মন্ত্রিত্ব বা বিধায়কের কাজের সময়ও আমি সেটিই করি।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন