বিজ্ঞাপন

এমন শটকে সাধারণত ক্রিকেটের ভাষায় ‘সান আউট’ শট বলা হয়। সূর্যের পরিষ্কার আলোয় সুন্দর ব্যাটিং উইকেটেই কোনো নতুন ব্যাটসম্যান ক্রিজে এসে প্রথম বলেই এমন শট খেলার মানসিকতা রাখতে পারে। কিন্তু সাকিব খেললেন সম্পূর্ণ উল্টো কন্ডিশনে। এভাবে খেলেই ২৫ বলে ১৯ রান যোগ করেন ৩ চারে। আউটও হন আগ্রাসী শট খেলতে গিয়ে।

সাকিবের মতো একই ধাঁচে খেলে আউট হন মোহাম্মদ মিঠুন, মোসাদ্দেক হোসেন। উইকেট, কন্ডিশনের কঠিন চেহারা যেন কিছুই না। প্রতিপক্ষ বোলারদের চাপে ফেলাই মূল লক্ষ্য। বাংলাদেশি টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানদের এমন আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের কারণ নাকি দীর্ঘ ব্যাটিং লাইনআপ। বিপদে পড়লে কেউ না কেউ তো থিতু হবেন-ই, খেলবেন দীর্ঘ ইনিংস। কাল লিটন দাস যেমন সে কাজটা করেছেন।

default-image

আজ বাংলাদেশ দলের প্রথম ওয়ানডের ব্যাটিং ব্যাখ্যায় এমন কথাই বলেছেন ব্যাটিং পরামর্শক প্রিন্স, ‘এক-দুজন ব্যাটসম্যান স্বীকার করবে যে ওরা ভুল করেছে। কিন্তু ভুল খেলার অংশ। আমাদের ব্যাটিং লাইনআপে সাতজন ব্যাটসম্যান আছে। এরপর দুজন অলরাউন্ডার আছে আট ও নয় নম্বরে। আমরা একেবারে রয়েসয়ে খেলতে চাই না যখন প্রতিপক্ষ ভালো বোলিং করে। আমরা প্রতি আক্রমণ করতে চাই। সেটা করতে গিয়ে আমাদের এক-দুইটা ভুল হতে পারে।’

default-image

দীর্ঘ ব্যাটিং লাইনআপের কারণে বাংলাদেশ দল দু-একজনের রান করার ওপর নির্ভরশীল না। কোচ হিসেবে তিনি এক থেকে নয় পর্যন্ত প্রত্যেক ব্যাটসম্যানের ওপরই রান করার সমান দায়িত্ব ছড়িয়ে দিয়েছেন, ‘আমরা এক থেকে নয় পর্যন্ত ব্যাটসম্যানদের ওপর আমরা আস্থা রাখতে পারি। কারণ ৭ জন তো ব্যাটসম্যানই। আর দুজন অলরাউন্ডার যারা ভালো ব্যাট করে। এই পরিকল্পনাটা সবাইকে নিয়ে। এক-দুজনের ওপর নির্ভরশীল না। আমরা যখন প্রতি আক্রমণে যাব, তখন ভুল করবই। কিন্তু সবার ওপরই নির্ভর করছি। কাল যেমন সবাই মিলে আমরা ২৭০ রান করেছি। যা আমি ইতিবাচক হিসেবেই দেখছি।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন