বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আগের দিন ‘এ’ দলের হয়ে মুশফিক অপরাজিত ছিলেন ৯১ বল খেলে ৭০ রান করে। দলকে ম্যাচ জিতিয়েই মাঠ ছেড়েছিলেন। আজও ফিফটি পেয়েছেন, তবে ধরনটা আলাদা। তিনে নেমে ৫৩ বলে করেছেন ৬২ রান, ৬ চারের সঙ্গে মেরেছেন ১টি ছয়। মুশফিকের ফিফটির সঙ্গে অধিনায়ক মুমিনুল হকের সেঞ্চুরি, নাজমুল হোসেনের ফিফটিতে ৩২২ রান তোলা ‘এ’ দল দ্বিতীয় ম্যাচে বিসিবি এইচপিকে হারিয়েছে ৩০ রানে।

আগে ব্যাটিং করা ‘এ’ দলকে দারুণ শুরু এনে দিয়েছিলেন মুমিনুল-নাজমুলই। ওপেনিং জুটিতেই ওঠে ১৫৪ রান। ৮৫ বলে ৬৭ রান করা নাজমুল ফেরার পর তিনে নামা মুশফিক ক্রিজে আসেন ৩০তম ওভারে। আগের ম্যাচের মতো এদিনও শুরুতে অবশ্য একটু সময়ই নিয়েছেন তিনি। প্রথম ১০ বলে করেছিলেন ৩ রান, প্রথম ১৭ বলে ৮। এরপরই আমিনুলকে মারা ওই চারের পর রান তোলার গতিটা বাড়িয়েছেন মুশফিক।

২২ বলে ১৫ রান করার পর তানভীর ইসলামকে পরপর দুই বলে মেরেছেন দুই চার—প্রথমে রিভার্স প্যাডল সুইপের পর স্লগ করে স্কয়ার লেগ দিয়ে। রুয়েল মিয়াকে স্লগ করে মারা ছয়েই পৌঁছে গেছেন চল্লিশের ঘরে। ঠিক পরের বলে স্কুপ করে আবার চার মেরেছেন মুশফিক।

default-image

আমিনুলকে সিঙ্গেল নিয়ে ফিফটিতে গেছেন মাত্র ৪০ বলেই। শেষ পর্যন্ত পেসার রেজাউর রহমানকে ফুললেংথ থেকে তুলে মারতে গিয়ে ব্যর্থ হয়ে ফিরেছেন ৪৬তম ওভারে।

এর আগে মুমিনুলের সঙ্গে ৯৮, মোহাম্মদ মিঠুনের সঙ্গে জুটিতে মুশফিক তুলেছেন ৩৯ রান। মুশফিকের ওই ইনিংসের পর মিঠুনের ১৫ বলে ২৫, মোসাদ্দেক হোসেনের ১০ বলে ১৩ রানের পর ইরফান শুক্কুরের ৯ বলে ১০ রানে ৩০০ পেরোয় ‘এ’ দল।

রান তাড়ায় তানজিদ হাসান ও পারভেজ হোসেনের ওপেনিং জুটিতেই ১৩৬ রান উঠলেও শেষ পর্যন্ত গতি ধরে রাখতে পারেনি এইচপি দল। ৫৮ বলে ৭৭ রান করেছেন পারভেজ, ৭টি চারের সঙ্গে এ বাঁহাতি মেরেছেন ৪টি ছয়। আর তানজিদের ৮৬ রান এসেছে ১০২ বলে। তবে এ দুজনের পর তৌহিদ হৃদয়ের ৫৬ বলে ৪৯ রান ছাড়া এইচপির কেউ ইনিংস বড় করতে পারেননি। বিশ্বকাপ দলে থাকা শামীম হোসেন ২১ বল খেলে করেছেন ১১ রান। ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৯২ রানেই থেমেছে তারা।

মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন