গত ১৯ ফেব্রুয়ারি প্রথম অভিযোগ তোলেন ভারতের উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান ঋদ্ধিমান সাহা। ঋদ্ধিমান তখন ওই সাংবাদিকের নাম প্রকাশ করেননি। ভারতের ক্রিকেটার তখন যা বলেছিলেন, তার মর্মার্থ দাঁড়িয়েছিল এ রকম—সাক্ষাৎকার নেওয়ার জন্য ওই সাংবাদিক হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় তাঁকে পটানোর চেষ্টা করেছিলেন। যখন তা করতে পারেননি, হুমকি দিয়েছেন তখনই। তা-ও হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায়। সে বার্তায় বলা হয়েছিল, ‘তুমি কল করলে না। আর কখনো তোমার সাক্ষাৎকার নেব না। আমি এই অপমান সহজে নিচ্ছি না। আমি এটা মনে রাখব।’

default-image

ঋদ্ধিমান না বললেও তাঁকে হুমকি দেওয়া সেই সাংবাদিক যে কে, ঋদ্ধিমানের টুইট করা স্ক্রিনশট দেখে বুঝে গিয়েছিলেন সবাই। এ নিয়ে বেশ কিছুদিন চুপ থাকার পর গত ৫ মার্চ টুইটারেই এক ভিডিও পোস্ট করেন বোরিয়া মজুমদার। সেখানে তিনি ঋদ্ধিমানের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নেওয়ার কথা বলেছেন, ‘আমার আইনজীবীরা ঋদ্ধিমানের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করতে যাচ্ছেন।’

বোরিয়া দাবি করেছিলেন, ঋদ্ধিমান হোয়াটসঅ্যাপে তাঁদের দুজনের বার্তাবিনিময়ের যে স্ক্রিনশট দিয়েছেন, সেগুলো বিকৃত করা। বার্তা পাঠানোর তারিখ মুছে দিয়ে ও ভিন্ন দিনের বার্তা এক করে মানুষকে ভুল বোঝানোর চেষ্টা করেছেন ঋদ্ধিমান সাহা।

কিন্তু তিন সদস্যের কমিটি নাকি তদন্ত শেষে ক্রিকেটার নয়, সাংবাদিকেরই দোষ দেখছে। বিসিসিআইয়ের এক শীর্ষ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না হওয়ার শর্তে দ্য সানডে এক্সপ্রেসকে বলেন, ‘আমরা ভারতের ক্রিকেট বোর্ডের সব রাজ্য সংস্থাকে জানিয়ে দেব, তাকে যেন কোনো স্টেডিয়ামে ঢুকতে না দেওয়া হয়। তাকে দেশের মাঠে কোনো ম্যাচের মিডিয়া অ্যাক্রেডিটেশন দেওয়া হবে না। আইসিসির কাছেও চিঠি পাঠিয়ে তাঁকে কালো তালিকাভুক্ত করা হবে। খেলোয়াড়দের বলা হবে যেন তার সঙ্গে সম্পর্ক না রাখে।’

এ ব্যাপারে এক্সপ্রেস তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করলেও গতকাল কথা বলেননি বোরিয়া।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন