বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

জাতীর দলের হয়ে ১০টি টি-টোয়েন্টি খেলে ফেলেছেন শরীফুল। ১৬.৪৬ গড় ও ৭.৪৮ স্ট্রাইক রেটে ১৫ উইকেট নিয়েছেন ২০ বছর বয়সী এই পেসার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের জন্য প্রস্তুত, শরীফুল তাঁর ছোট্ট ক্যারিয়ারেই সেটি প্রমাণ করেছেন।

জিম্বাবুয়ে সফরে যখন চোটের কারণে দলের মূল পেসার মোস্তাফিজুর রহমান খেলছিলেন না, তখন বাঁহাতি পেসারের শূন্যতা একদমই বুঝতে দেননি শরীফুল।
শুধু টি-টোয়েন্টিতেই নয়, ওয়ানডে ও টেস্ট ক্যারিয়ারের শুরুটা ভালো হওয়ায় বিসিবি তাঁকে তিন সংস্করণের চুক্তিতেই রেখেছে। তবে নিজের ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের বড় উপহারটা শরীফুল পেয়েছেন আজ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলে জায়গা করে নেওয়ার খবর নিশ্চয়ই তরুণ শরীফুলকে অনুপ্রাণিত করবে।

default-image

শামীমের উত্থানটা অবশ্য শরীফুলের মতো নয়। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের জন্য পরিচিত শামীম অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে বিশেষ কিছু করেননি। চোটের সঙ্গে লড়ে বিশ্বকাপ খেলেছিলেন। তবে বিশ্বকাপের পর ঘরোয়া ক্রিকেট ও বিসিবির হাই পারফরম্যান্স দলের হয়ে ভালো করায় নির্বাচকদের নজরে আসেন এই বাঁহাতি মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। বিশেষ করে আয়ারল্যান্ড উলভসের বিপক্ষে হাই পারফরম্যান্স ইউনিটের সিরিজে মারকুটে ব্যাটিং করে বিবেচনায় এসেছেন। সে সূত্রেই ডাক পান জিম্বাবুয়ে সফরের দলে।

default-image

আর ফিরে তাকাতে হয়নি শামীমকে। দেশের হয়ে ছয়টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে পাঁচ ইনিংস ব্যাট করেছেন এই তরুণ। ছোট্ট ক্যারিয়ারে ১৫৫.৫৫ স্ট্রাইক রেটই বলে দেয়, শামীম কোন ধাঁচের ব্যাটসম্যান। সঙ্গে অফ স্পিন ও দুর্দান্ত ফিল্ডিং তো আছেই। বিদেশি কন্ডিশনে প্রথম সফরেই শামীমের পারফরম্যান্স ছিল চোখে পড়ার মতো।

ম্যাচ কম খেললেও সম্ভাবনাময় এই তরুণ ফিনিশারকে সুযোগ দিয়েছেন নির্বাচকেরা। প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন শামীমকে দলে নেওয়ার ব্যাপারে বলছিলেন, ‘জিম্বাবুয়ে সিরিজ থেকে সে দলের সঙ্গে আছে। অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ক্রিকেটার, এইচপির হয়ে তার যথেষ্ট ঘষামাজা হয়েছে। আমরা তাকে নিয়ে আত্মবিশ্বাসী। শামীম যে ধাঁচে খেলে, সেটা টি-টোয়েন্টির জন্য যথেষ্ট ভালো।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন