এক দল অন্যতম ফেবারিট, আরেক দল এখনো বিশ্বকাপে জয়ের স্বাদই পায়নি। বিশ্বকাপে এক দলের শুরুটা হয়েছে দুর্দান্ত, আরেক দলের সম্বল প্রস্তুতি ম্যাচের প্রেরণা। এক দল নিজেদের ‘সেমিফাইনালিস্ট’ তকমাটা ঘুচিয়ে শিরোপা জিততে চায়, আরেক দল চায় অঘটন ঘটাতে। কাল ভোররাতে বিশ্বকাপে দুই মেরুর দল নিউজিল্যান্ড ও স্কটল্যান্ড মুখোমুখি হবে ডানেডিনের ইউনিভার্সিটি ওভালে।
কাগজে-কলমে গ্রুপ পর্বে এই কিউইদের সহজতম ম্যাচই হওয়ার কথা। তবে প্রস্তুতি ম্যাচে স্কটিশরা দিয়েছে ভিন্ন বার্তা। আয়ারল্যান্ডকে ১৭৯ রানে হারানোর পর ওয়েস্ট ইন্ডিজকেও দিয়েছিল কাঁপিয়ে—৩১৪ রান তাড়া করে হেরেছিল মাত্র ৩ রানে। অঘটন তাই স্কটিশদের পক্ষে অসম্ভব নয়, তবে সে জন্য প্রস্তুতিপর্বের ফর্মটাকে টেনে আনতে হবে।
শ্রীলঙ্কাকে উদ্বোধনী ম্যাচে ৯৮ রানে হারানোর পর কিউইরা জয়রথ থামতে দিতে চাইবে না। কিউই কোচ মাইক হেসন স্কটিশদের অঘটনের সম্ভাবনাকেও উড়িয়ে দিচ্ছেন না, ‘আমি আগেই বলেছি, এ টুর্নামেন্টে বেশ কয়েকটি অঘটন ঘটবে। হালকাভাবে নিলে যে কেউ যেকোনো কিছু করে বসতে পারে। আমরা অবশ্যই সেরা প্রস্তুতি নিয়েই স্কটিশদের বিপক্ষে নামব।’
ডানেডিনের এই মাঠে কিউইরা একটি ম্যাচও হারেনি। আর দুটি প্রস্তুতি ম্যাচই স্কটিশরা খেলেছে অস্ট্রেলিয়ায়। তবে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড সফরের অভিজ্ঞতা আছে স্কটিশদের, আর নিউজিল্যান্ডের সাবেক অফ স্পিনার গ্রান্ট ব্র্যাডবার্ন তো আছেনই কোচ হিসেবে। সহকারী কোচ সাবেক ইংলিশ ক্রিকেটার পল কলিংউড।
স্কটল্যান্ডকে কিউইরা হালকাভাবে নিতে আসলেই পারে না। এএফপি।
বিশ্বকাপে এর আগে একবারই মুখোমুখি হয়ে স্কটল্যান্ডকে হারিয়েছে নিউজিল্যান্ড। বিশ্বকাপের বাইরে আর একমাত্র ম্যাচেও জয়ী নিউজিল্যান্ড।
১৯৯৯ বিশ্বকাপে এডিনবরায় স্কটিশদের ১২১ রান ১৭.৫ ওভারেই পেরিয়ে যায় নিউজিল্যান্ড। ২০০৮ সালে স্কটল্যান্ডের ১০১ রান ২১২ বল হাতে রেখেই পেরোয় কিউইরা।

বিজ্ঞাপন
ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন