বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

৭ ওভারের স্মরণীয় স্পেলে মাত্র ১৬ রান দিয়ে চোখের পলকে ৩ উইকেট নিয়ে মাউন্ট মঙ্গানুই টেস্টে সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিলেন তিনি। ৬৯ রান করে দারুণ খেলতে থাকা ইয়ংকে ভেতরে আসা বলে সরাসরি বোল্ড হলেন। এরপর আগের ইনিংসে অর্ধশত করা হেনরি নিকোলসও বোল্ড বিদ্যুৎ–গতির ইয়র্কারে। এরপর টম ব্লান্ডেল আউট ভেতরে আসা বলে এলবিডব্লু হয়ে। চোখের পলকে ১৩৬ রানে ২ উইকেট থেকে কোনো রান যোগ না করেই ১৩৬ রানে ৫ উইকেটের দল নিউজিল্যান্ড! সেখান থেকে মাত্র ১৭ রানে এগিয়ে থেকে চতুর্থ দিন শেষ করে স্বাগতিকেরা। ম্যাচের যা পরিস্থিতি, তাতে বাংলাদেশ দলের মানসপটে এখন ‘জয়’ শব্দটাই ঝিলমিল করছে। যেটি হবে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয়।

default-image

সেই জয়ের পথ দেখানোর পথিক ইবাদত আজ দিনের খেলা শেষে বলছিলেন সে কথাই, ‘আমরা চেষ্টা করব আগামীকাল যেন দেশকে জিতিয়ে আসতে পারি।’ তবে একজন বাংলাদেশি ফাস্ট বোলার হিসেবে নিজের ক্রিকেট–যাত্রাটা কতটা কঠিন ছিল, সেটাও বলছিলেন তিনি, ‘দেশে ও দেশের বাইরে দুই কন্ডিশনেই আমি খেলেছি। দেশে আমাদের উইকেট একটু ব্যাটিং–সহায়ক থাকে। ফ্ল্যাট থাকে। সেখানেও আমরা চেষ্টা করছি, কীভাবে উইকেট বের করা যায়। বিদেশের মাটিতে প্রথম দিন, প্রথম দুই ঘণ্টা পক্ষে থাকে। তারপর কিছুটা ফ্ল্যাট হয়ে যায়। আমরা এখনো শিখছি, কীভাবে দুই জায়গায় বল করা যায়। বল পুরোনো হলে কীভাবে রিভার্স করা যায়। আমরা এখনো শিখছি।’

default-image

শুধু মাউন্ট মঙ্গানুই নয়, ভবিষ্যতে বিদেশের মাটিতে ইবাদত, তাসকিন, শরীফুলদের এমন আরও আগুনে বোলিংয়ের আশাও দেখিয়েছেন তিনি। ‘আমরা চেষ্টা করছি। আমাদের সতীর্থ ও সাপোর্ট স্টাফ—সবাই খুব সাহায্য করেছে। নিউজিল্যান্ডে আমাদের আগের ম্যাচগুলোতে এত ভালো করতে পারিনি। এই দলই চাইছে নতুন কিছু দিতে, নতুনভাবে দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে, দেশের জন্য ভালো কিছু করতে। কিন্তু কাউকে না কাউকে তো ভালো কিছু দিতেই হবে। এই দলের চেষ্টাই এটা যে বিদেশের মাটিতে জেতা শুরু করব,’ বলেছেন ইবাদত।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন