default-image

স্বদেশ প্রত্যাবর্তনটা যে এমন ‘মধুর’ হবে, সেটা বোধ হয় মঈন খানও জানতেন! পাকিস্তান ক্রিকেটের প্রধান নির্বাচক দেশে ফিরে তেতো অভ্যর্থনাই পেলেন। করাচি বিমানবন্দরে ক্ষুব্ধ সমর্থকদের হাত থেকে বাঁচতে তাঁকে নিতে হয়েছে পুলিশি সহায়তা।
এমনিতেই পাকিস্তান ক্রিকেটে ত্রাহি দশা। টানা দুটি ম্যাচে লজ্জাজনক হারে ঠাঁই হয়েছে গ্রুপের তলানিতে, যে গ্রুপে আছে সহযোগী দেশ আয়ারল্যান্ড ও আরব আমিরাত! মাঠের বাইরেও দলটির অবস্থা তথৈবচ! সর্বশেষ সংযোজন, ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে লজ্জাজনক পরাজয়ের কয়েক ঘণ্টা আগে মঈন খানকে দেখা গিয়েছিল ক্রাইস্টচার্চের এক জুয়ার আখড়ায় (ক্যাসিনো)! এ ঘটনার পর পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান শাহরিয়ার খান মঈন খানকে দেশে ডেকে পাঠিয়েছেন। আজ লাহোরে পিসিবিপ্রধানের সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা মঈনের। সব মিলিয়ে সমর্থকেরা ক্ষুব্ধ হবেন, সেটিই তো স্বাভাবিক।
ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাবেক পাকিস্তানি ক্রিকেটাররাও। সরফরাজ নেওয়াজ বরাবরের মতোই চাঁছাছোলা, ‘সে পাকিস্তান ক্রিকেটকে কলঙ্কিত করেছে। তাকে অবশ্যই বহিষ্কার করা উচিত।’ সাবেক পেসার শহীদ নাজির এ ঘটনার বিহিত চেয়েছেন, ‘পিসিবির অবশ্যই আদালতের মাধ্যমে তদন্ত করা উচিত। একজন প্রধান নির্বাচকের আচরণ কীভাবে এত নিম্ন পর্যায়ের হতে পারে?’
প্রধান নির্বাচকের মতো স্পর্শকাতর পদে থেকে এমন অবিবেচকের মতো কাজ—পাকিস্তান ক্রিকেটে বোধ হয় সবই সম্ভব! তথ্যসূত্র: রয়টার্স।

বিজ্ঞাপন
ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন