বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই সাইফ ০ রানে আউট হওয়ার পর ক্রিজে এসে তামিমের সঙ্গে ১৪৪ রানের জুট গড়েন নাজমুল। ২০০৯ সালের পর দেশের বাইরে দ্বিতীয় উইকেটে এটিই শতরানের জুটি। অন্য প্রান্তে তামিম যখন খেলছিলেন বিধ্বংসী ক্রিকেট, তখন নাজমুলের ব্যাট ছিল শান্ত। আঁটসাঁট কৌশলে লঙ্কান বোলারদের ভালো বল গুলো ঠেকিয়ে দিচ্ছিলেন অনায়াসে। কোনো ঝুঁকি ছাড়াই ১২০ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন এই বাঁহাতি তরুণ।

তামিম ৯০ রানে আউট হলেও নাজমুল সারা সকাল যা করেছেন ঠিক তাই করে গেছেন দিনের দ্বিতীয় সেশনে। তামিমের সঙ্গে ম্যারাথন জুটির পর নতুন ব্যাটসম্যান অধিনায়ক মুমিনুল হকের কাজটাও সহজ করে দেন উইকেটে থিতু হওয়া নাজমুল।

default-image

প্রথম সেশনে ২৮ রান দাঁড়িয়ে একবার উইকেটকিপারের ব্যর্থতায় জীবন পাওয়া নাজমুল দিনের তৃতীয় ও শেষ সেশনেও লঙ্কান বোলারদের আর কোনো সুযোগ দেননি। ধনাঞ্জয়া ডি সিলভার করা ইনিংসের ৭৪তম ওভারে ২৩৫ বল খেলে দারুণ এক কাভার ড্রাইভে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন নাজমুল। সঙ্গে মুমিনুলের সঙ্গে এক শ রানের জুটিও। ১২টি চার ও ১টি ছক্কায় নাজমুল সাজান তাঁর ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি।

ধারাভাষ্যকার ও সাবেক শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটার রাসেল আর্নল্ড বেশ কয়েকবার নাজমুলের রক্ষণাত্মক কৌশলের প্রশংসা করেন। তিনি বলছিলেন, 'নাজমুলের সবচেয়ে বেশি নজরে এসেছে যেই বিষয়টি সেটি হলো তাঁর রক্ষণাত্মক কৌশল। কোনো ভুল শট খেলেনি পুরো ইনিংসে। কোনো সুযোগ দেয়নি।'

মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন