বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ দলের ফাস্ট বোলিং কোচ হিসেবে নিজের লক্ষ্যের কথা জানাতে গিয়ে তিনি এটিই বলেছেন, ‘শুধু বাংলাদেশে নয়, আমার মনে হয়, সব জায়গাতেই ফাস্ট বোলারদের “দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক” হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তারা তাদের প্রাপ্য স্বীকৃতিটা পায় না। তবে আমার মতে, এখন বাংলাদেশের ফাস্ট বোলাররা দলের পারফরম্যান্সে প্রভাব রাখা শুরু করেছে। আমার আশা, একদিন পেসাররা বাংলাদেশকে ম্যাচ জেতাবে। আমার লক্ষ্য, পেসারদের নিয়ে এমন একটা গ্রুপ তৈরি করা, যারা বাংলাদেশকে ম্যাচ জেতাবে।’

default-image

জিম্বাবুয়ে সফরের আগে থেকেই পেসারদের ওপর আলাদা করে নজর ছিল। উপমহাদেশের বাইরে যেকোনো সফরেই এমনটা হয়। পেসাররা কিছুটা সহায়ক পরিবেশ পেয়ে কেমন করেন, এটাই দেখতে চাচ্ছিলেন সবাই। হারারে টেস্টের প্রথম দিনটা বাদ দিলে পেসাররা ভালোই করেছেন। কার্যকর বোলিং করেছেন তারা। বিশেষ করে তাসকিন আহমেদ অতঙ্ক ছড়িয়েছেন জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে। গিবসন এতে খুশি। তাঁর মতে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ থেকেই পেসারদের উন্নতি হচ্ছে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজটাকে সেই উন্নতির একটা ধাপ হিসেবে দেখছেন গিবসন।

টেস্টে তাসকিনের সঙ্গে খেলানো হয়েছিল ইবাদত হোসেনকে। ওয়ানডেতে সে কম্বিনেশন কেমন হবে, সেটি অধিনায়ক ও কোচের ওপর ছেড়ে দিয়ে জিম্বাবুয়েতে সিরিজ কাভার করতে আসা সাংবাদিকদের গিবসন বলেছেন তাঁর আশার কথা, ‘একাদশে যে পেসারকেই নির্বাচিত করা হোক না কেন, তাতে আমার কোনো সমস্যা নেই। আমার কাজ শুধু এটা নিশ্চিত করা যে তারা যেন ঠিকমতো পারফরম করতে পারে। সে স্কিলটা যেন তাদের থাকে।’

default-image

তাসকিনের উন্নতির পথচলায় সহায়তা করতে পেরে খুশি বাংলাদেশের ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান পেস বোলিং কোচ, ‘তাসকিন উন্নতি করছে। সে যে বিশ্বমানের বোলার হতে চায়, তার মনোভাবে সেটি স্পষ্ট। আমি তাকে সহায়তা করতে পেরে খুশি। সে ভালো বোলিং করছে। সে ফিটনেসের উন্নতি করেছে। তার শরীরী ভাষা সব সময়ই দারুণ। সে ঠিকঠাক কাজগুলোই করে আসছে, চাইছে পেসার হিসেবে বিশ্বমানের হতে। আমি খুশি। শুধু তাসকিন নয়, ইবাদত-(আবু জায়েদ) রাহিদের মতো পেসাররাও উন্নতি করেছে।’

গিবসন পেসারদের উইকেট শিকারের মূল অস্ত্র হিসেবেও পেসারদের ব্যবহার করতে চান, ‘আমি চাই পেসারদের উইকেট শিকারের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে। একদিকে পেসার, অন্যদিকে স্পিনার রেখে যেভাবেই ব্যবহার করি না কেন। এখন পেসাররা কীভাবে উইকেট নেবে, ফিল্ড সেটিং কেমন হবে, সে ব্যাপারে বেশ সচেতন। অবশ্য ডেথ ওভারে বোলিংয়ের ক্ষেত্রে আলাদা স্কিল লাগে। তবে এই কন্ডিশনে মূল ব্যাপার নতুন বলে উইকেট নেওয়া।’

পেসাররা ভালো করতে থাকলেই দেশের মাটিতে ফাস্ট বোলিং সহায়ক উইকেট তৈরির চিন্তা শুরু হবে, এমনটাই মনে করেন বাংলাদেশের পেস বোলিং কোচ।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন