বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আর এসব সুযোগ নেওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন অভিজ্ঞ ধাওয়ান। আরেক ওপেনার পৃথ্বী শর ১৭ বলে ৩২ রানের ঝড়ের পর যখন বিদায় নেন, দিল্লির রান ৫.৩ ওভারে ৫৯। সেখান থেকে ধাওয়ান টেনে নেন দিল্লিকে। মাঝপথে দলের ১০৭ রানের সময় স্টিভ স্মিথকে (১২ বলে ৯) হারালেও সমস্যা হয়নি একটুও। ঋষভ পন্তকে নিয়ে দরকারি রান রেটের সঙ্গে সহজেই পাল্লা দেন ধাওয়ান।

default-image

তবে সেঞ্চুরিটা পাওয়া হয়নি তাঁর। ৪৯ বলে ১৩টি চার ও ২টি ছক্কায় ৯২ রান করে বোল্ড হন ধাওয়ান, তবে ততক্ষণেই দলের জয় অনেকটা নিশ্চিত করে দিয়েছিলেন ভারতীয় বাঁহাতি ওপেনার। ১৫তম ওভারের পঞ্চম বলে ধাওয়ান যখন ফিরছেন, দিল্লির রান তখনই হয়ে গেছে ১৫২। হাতে তখনো ৭ উইকেট।

ধাওয়ানের পরও যতটুকু কাজ বাকি ছিল, সেই কাজটা করেন মার্কাস স্টয়নিস। ধাওয়ানের বিদায়ের পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি দিল্লি অধিনায়ক ঋষভ পন্ত। ১৬ বলে ১৫ রান করে পন্ত যখন ফিরছেন, দিল্লির রান ১৭.১ ওভারে ৪ উইকেটে ১৮০। জয়ের বন্দর তখন কাছেই।

default-image

ছয়ে নামা ললিত যাদব করলেন ৬ বলে ১২, অন্যদিকে ১৩ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ২৭ রানে দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন স্টয়নিস। অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডারের ক্যামিও ইনিংসে ১০ বল বাকি থাকতেই পাঞ্জাবের রান তাড়া করে দিল্লি।

এর আগে শুরুতে ব্যাট করে ওপেনার লোকেশ রাহুল ও মায়াঙ্ক আগারওয়ালের জোড়া ফিফটিতে ১৯৫ রান করে পাঞ্জাব।

আগারওয়াল পাওয়ার প্লেতে রীতিমতো ঝড় তোলেন। দিল্লির বোলারদের ওপর শুরু থেকে চড়াও হন দারুণ সব শটে। তাঁর ৬৯ রান আসে মাত্র ৩৬ বলে। ৭টি চার ও ৪টি ছক্কা ছিল আগারওয়ালের ইনিংসে।

default-image

সতীর্থের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের সময় ধরে খেলেন পাঞ্জাব অধিনায়ক রাহুল। ৫১ বল খেলে তাঁর ব্যাট থেকে আসে মাত্র ৬১ রান। ৭টি চার ও ২টি ছক্কা মারলেও আরও দ্রুত রান তুলতে পারতেন তিনি। এরপর পাঞ্জাবের ইনিংস প্রত্যাশিত গতিতে অগ্রসর হয়নি। ১৬তম ওভারে কাগিসো রাবাদার বলে রাহুল আউট হওয়ার পর দ্রুত বিদায় নেন দুই বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান ক্রিস গেইল ও নিকোলাস পুরান।

যেখানে দলের রান দুই শ ছাড়ানোর কথা, সেখানে টেনেটুনে ১৯৫ রান করে পাঞ্জাব। সেটাও দুই তরুণ দীপক হুদা (১৩ বলে ২ ছক্কায় ২২) ও শাহরুখ খানের (৫ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় ১৫) কিছু চার-ছক্কায়।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন