বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

প্রসঙ্গক্রমে উঠে এসেছে সাবেক অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনির কথা। ধোনির ব্যাপারে হরভজন যে খুব বেশি সদয় নন, সেটি বোঝা গেছে তাঁর কথায়, ‘অন্যান্য যেকোনো খেলোয়াড়ের তুলনায় বোর্ডের কাছ থেকে বেশি সমর্থন পেত ধোনি, অন্যরাও যদি ধোনির মতো বোর্ডের সমর্থন পেত, তাঁরাও ভালো খেলত। তাঁরাও সফল হতো। ব্যাপারটা এমন না যে বাকিরা হুট করে ব্যাট করতে বা বল করতে ভুলে গেছে।’


নিজের টেস্ট ক্যারিয়ার নিয়ে হতাশাও ফুটে উঠেছে হরভজনের কথায়। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১৯৯৮ সালে অভিষিক্ত এই স্পিনার ১০৩ টেস্টে ৪১৭ উইকেট নিয়েছেন, ৩২.৪৬ গড়ে। হরভজন এখনো বিশ্বাস করেন, রেকর্ডটা আরও জ্বলজ্বলে হতে পারত, যদি আরও বেশি সময় খেলার সুযোগ পেতেন, ‘ভাগ্য আমার সব সময়ই সহায় ছিল। কিন্তু এমন কিছু ব্যাপার ছিল, যেগুলো আমার হাতে ছিল না। আমি যখন ৪০০ উইকেট পাই, আমার বয়স তখন মাত্র ৩১। আরও ৪-৫ বছর নিয়মিত খেলার সুযোগ যদি পেতাম, যেভাবে নিজের মানদণ্ড ঠিক করেছিলাম, সে হিসেবে আরও ১০০-১৫০ উইকেট পাওয়ার কথা আমার।’

default-image

২০১১ সালের পর থেকে নিয়মিত টেস্ট খেলেননি হরভজন। ২০১২ সাল থেকে ২০১৫ পর্যন্ত মাত্র পাঁচ টেস্ট খেলেছেন। ২০০১ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেই দেশের মাটিতে বিখ্যাত টেস্ট সিরিজে ৩ ম্যাচে সর্বোচ্চ ৩২ উইকেট নিয়েছিলেন। কলকাতায় ফলোঅনের পরও ভারতের সেই জেতা ম্যাচে নিয়েছিলেন ১৩ উইকেট।

২০১৫ সালে খেলেছেন ১০৩ টেস্ট ক্যারিয়ারের সর্বশেষটি। গলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শেষ হওয়া টেস্ট ক্যারিয়ারে ৩২.৪৬ গড়ে ৪১৭টি উইকেট তাঁর। ভারতের হয়ে এ তালিকায় হরভজনের ওপরে আছেন অনিল কুম্বলে, কপিল দেব ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন।

২০১৫ সালেই হরভজন খেলেছেন সর্বশেষ ওয়ানডে। ২০০৩ সালে বিশ্বকাপ ফাইনালে রানার্সআপ ও ২০১১ সালে বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য হরভজন ২৩৬ ওয়ানডেতে নিয়েছেন ২৬৯ উইকেট। ২০১৬ সালে এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টিতে ভারতের হয়ে সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচটি খেলেছিলেন হরভজন। ২০০৭ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী দলেরও সদস্য ছিলেন তিনি।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন