বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

এবি ডি ভিলিয়ার্স এমন কিছুরই আশা করছিলেন। নেতৃত্বের ভার সরে যাওয়ায় আবার সেই মহেন্দ্র সিং ধোনির দেখা মিলবে—নির্বিকার মুখে যে ব্যাটসম্যান ছক্কা–চার মেরে দর্শকের মন জয় করে নিয়েছেন। আইপিএলের ১৫তম বছরে এসে মুক্তি পেয়েছেন ধোনি। চেন্নাই মাঠে, অথচ অধিনায়ক হিসেবে টস করেননি ধোনি। শুধুই একজন খেলোয়াড় হিসেবে খেলতে নেমেছেন। আর সেদিনই চেন্নাইয়ের সর্বোচ্চ স্কোরার ধোনি।

রবিন উথাপ্পার সর্বোচ্চ চেষ্টার পরও শুরুটা খুব একটা ভালো হয়নি চেন্নাইয়ের। টসে হেরে ব্যাট করতে নামা চেন্নাই পাওয়ারপ্লেতে ২ উইকেট হারিয়ে ৩৫ রান করেছিল। একটু পর ২১ বলে ২ চার ও ২ ছক্কায় ২৮ করা উথাপ্পাও ফিরেছেন। হাস্যকর এক রানআউট ও রাসেলের শর্ট বলে ১০.৫ ওভারে ৬১ রানে ৫ উইকেট হারায় চেন্নাই। ক্রিজে তখন ১০ বলে ৮ রান করা নতুন অধিনায়ক রবীন্দ্র জাদেজা। সাতে নামলেন ধোনি।

এরপর দুজনে মিলে এমন খেলাই খেললেন যে নিরপেক্ষ তো বটেই, চেন্নাই সমর্থকেরাও প্রশ্ন তুললেন। ১৭ ওভার শেষে চেন্নাইয়ের রান ৮৪। অর্থাৎ ৩৭ বলের জুটিতে মাত্র ২৩ রান! ২২ বলে ১৬ রানে অপরাজিত বর্তমান অধিনায়ক, সাবেক অধিনায়কের ১৫ রান ২৫ বলে।

default-image

আন্দ্রে রাসেলের তৃতীয় ওভার পরিস্থিতি একটু সহনীয় করল। সে ওভারে ধোনির তিন চারে এল ১৪ রান। তখনো ১০০ পেরোয়নি চেন্নাই। পরের ওভারে শিবম মাভির প্রথম চার বল থেকে এল মাত্র ৪ রান। পঞ্চম বলে ফুল লেংথের বল কভার দিয়ে চার ধোনির। পরের বল কোমর উচ্চতারও বেশি এক ফুল টস। ধোনি ঠিকমতো খেলতে পারেননি, কিন্তু টপ এজই ছক্কা হয়ে গেল। ১৫ রানের ওভার শেষেও চেন্নাইয়ের রানরেট ৬ পার হলো না।

রাসেলের শেষ ওভারে তৃতীয় বলটা শর্ট ছিল। কিন্তু স্লোয়ারের গতি আগেই টের পেয়ে অনায়াসে পুল ধোনির। পরের বলেই প্রায় ইয়র্কার বলটা ধোনির সেই বিখ্যাত বটম হ্যান্ড শটের দেখা পেল। পরের বলে লং অফে বল ঠেলে দিয়ে এক রান নিলেন ধোনি। ৩৮তম বলে ৫০! শেষ ১৩ বলে ৩৫ রান পেয়েছেন ধোনি। ইনিংসের শেষ বলে রাসেলের ফুল টস এক্সট্রা কাভার দিয়ে ছক্কা মেরেছেন জাদেজা (২৬*)। ধোনির সুবাদে শেষ ৩ ওভারে ৪৭ রান তুলেছে চেন্নাই। কিন্তু এতেও সংগ্রহটা ১৩১–এর বেশি হয়নি।

default-image

তাড়া করতে নেমে কলকাতার শুরুটা দারুণ হয়েছে। পাওয়ারপ্লেতে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৪৩ তুলেছেন অজিঙ্কা রাহানে ও ভেংকটেশ আইয়ার। সপ্তম ওভারে আইয়ার ১৬ রান করে ফিরলে আক্রমণের দায়িত্ব বুঝে নেন নিতীশ রানা। ১০ম ওভারে ব্রাভোর বলেই ২১ রান করে ফিরে গেছেন রানা। কিন্তু ম্যাচ নিয়ে কোনো দুশ্চিন্তা কলকাতার ছিল না। ১০ ওভারে ৫৬ রান দরকার ছিল কলকাতার, হাতে ৮ উইকেট।

দলকে ৮৭ রানে রেখে ফিরে যান অজিঙ্কা রাহানে। ৪৪ রান করে রাহানের বিদায়ের পর কিছুক্ষণ দম নিয়েছেন শ্রেয়াস আইয়ার ও স্যাম বিলিংস। ২৯ বলে কোনো বাউন্ডারি পায়নি কলকাতা। ১৬তম ওভারে ব্রাভোকে চার মেরে গিয়ার বদলান বিলিংস। পরের ওভারেই জাদেজাকে মিড উইকেট দিয়ে ছক্কা। ম্যাচটা একদম হাতের মুঠোয় এনে ২৫ রানে বিদায় নিয়েছেন বিলিংস। ১৫ বলে ৯ রান নেওয়ার কাজটা ৯ বল আগেই শেষ করেছেন আইয়ার (২০*)।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন