বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ব্যাট করতে প্রস্তুত হওয়ার আগেই মাহমুদউল্লাহ বল করে ফেলায় ‘স্টান্স’ থেকে সরে দাঁড়ান নওয়াজ। মাহমুদউল্লাহও পরের বলটা করতে গিয়ে আর করেননি। এমন চাপের মুহূর্তে নওয়াজকে সম্ভবত একটু অপ্রস্তুত করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। শেষ বলে চার মেরে ৫ উইকেটের জয়ে বাংলাদেশকে তিন ম্যাচ সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করা নিশ্চিত করে পাকিস্তান।

default-image

এই শেষ ওভারটুকু ছাড়া বাংলাদেশ কি এ ম্যাচে কখনো লড়াইয়ে ছিল? সেভাবে কি চোখে পড়েছে? আগে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ১২৪ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। শেরেবাংলার উইকেটে এই রান তাড়া করতেও শেষ ওভার পর্যন্ত খেলতে হয়েছে পাকিস্তানকে। এতটুকুই বোধ হয় এ ম্যাচ থেকে বাংলাদেশের প্রাপ্তি। হারের পর মাহমুদউল্লাহ অবশ্য প্রাপ্তির খাতা খোলেননি।

সতীর্থদের প্রশংসা ফুটল তাঁর মুখে, ‘দুই দলের ব্যাটসম্যানরাই ভুগেছে। দ্রুত রান তোলার আগে উইকেটে কিছু সময় থাকতে হবে। নাঈম ভালো ব্যাট করেছে বলে মনে করি। তাসকিন ইনজুরি থেকে যেভাবে সরে এসেছে, সত্যিই প্রশংসা করতে হয়।’

৫০ বলে ৪৭ রান করে আউট হন বাংলাদেশের ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম। ২টি ছক্কা ও ২টি চারে ইনিংসটি সাজান। স্ট্রাইক রেট ৯৪.০০। টি–টোয়েন্টি উইকেটে ‘সেট’ হতে ১০–১৫ বলের বেশি লাগার কথা নয় ওপেনারদের—অন্তত অন্যান্য দেশের ওপেনারদের মানসিকতা এমনই দেখা যায়।

default-image

নাঈম সেখানে ১৯তম ওভার পর্যন্ত উইকেটে থেকেও দ্রুতগতিতে রান তুলতে পারেননি। একটি প্রান্ত ধরে খেলার চেষ্টা করেছেন। অবশ্য টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকেই ভুগছে বাংলাদেশের ব্যাটিং। দ্রুত রান তুলতে গিয়ে টপাটপ সব আউট হওয়া ঝুঁকি না নিতেই সম্ভবত নাঈমের ব্যাটিংয়ের প্রশংসা করেছেন মাহমুদউল্লাহ।

কন্ডিশন ও উইকেট যে কঠিন, সে কথা বলেছেন পাকিস্তান দলের ভারপ্রাপ্ত কোচ সাকলায়েন মুশতাকও, ‘বাংলাদেশকে প্রাপ্য প্রশংসাটুকু দিতেই হবে। আরব আমিরাত থেকে এখানকার কন্ডিশন আলাদা।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন