বিজ্ঞাপন

মাহমুদুল হাসানও বড়দের পথ ধরেন। সাব্বির রহমান, মেহেদী হাসান মিরাজও একই ভুল করেন। নুরুল হাসান একা টিকে থেকে বাকিদের আসা যাওয়া দেখেছেন। নুরুলের ব্যাট থেকেই আসে মাহমুদউল্লাহদের দলে সর্বোচ্চ অপরাজিত ২৮ রান।
মাহমুদউল্লাহদের ব্যাটিংয়ে ধস নামান মূলত বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ।

প্রেসিডেন্টস কাপে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেই লিটন, মাহমুদউল্লাহ ও মাহমুদুলের উইকেট নিয়ে মিডল অর্ডারে ফাটল ধরান। গতি ব্যবহার করে আউট করেছেন লিটন ও মাহমুদউল্লাহকে। বাজে শটের ফাঁদে ফেলেছেন মাহমুদুলকে। বাকি কাজটা করেছেন করোনা বিরতির পর নিজের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামা টেস্ট দলের পেসার আবু জায়েদ। প্রথম স্পেলে মুমিনুলকে ফেরান তিনি। শেষে এসে সাব্বির ও মেহেদীর উইকেটও নিয়েছেন জায়েদ।

default-image

তবে বোলিংয়ে নয়, নাজমুলেরা আজ জিতেছেন ব্যাটিং দিয়ে। আগে ব্যাট করে ৩১ রানে তিন উইকেট হারালেও আফিফ হোসেন ও মুশফিকুর রহিমের ১৪৭ রানের জুটি ম্যাচের চেহারা পাল্টে দেয়। আফিফের ব্যাট থেকে আসে ৯৮ রানের চোখ জুড়ানো ইনিংস। ১০৮ বলে ১২টি চার ও ১টি ছক্কায় এই রান করেন আফিফ। সেঞ্চুরি হতে পারত আফিফের। মুশফিকের ভুলে নিশ্চিত সেঞ্চুরি হাতছাড়া হয় আফিফের।

ফিফটি ছাড়ানো ইনিংস খেলেছেন মুশফিকও। ৯৩ বলে ৫২ রান যোগ করে আউট হন তিনি। শেষের দিকে ইরফান শুকুর ও তৌহিদ হৃদয় মিলে নাজমুলদের লড়ে যাওয়ার মতো রান এনে দেন। শুকুরের ব্যাট থেকে আসে ৩১ বলে ৪৮ রানের অপরাজিত ইনিংস। ৯৮ রানের ইনিংসের জন্য ম্যাচ সেরা হয়েছেন আফিফ।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন