বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভালো বোলিং করার পর ব্যাটিংয়েও ভালো করাটা জরুরি ছিল মুমিনুল হকদের। সে পথে সাদমান আর মাহমুদুলের সূচনার পর ভালোই এগোচ্ছে বাংলাদেশ। ৪৩ রানের উদ্বোধনী জুটির পর মাহমুদুল আর নাজমুলের ২৩৯ বলে ১০৪ রানের জুটি ছিল চমৎকার। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্টেই ফিফটি পেয়েছেন তরুণ মাহমুদুল। নাজমুল পেয়েছেন দ্বিতীয় ফিফটি। এ দুজন নিল ওয়াগনর, টিম সাউদি, কাইল জেমিসন, ট্রেন্ট বোল্টদের খেলেছেন দারুণ সতর্কতার সঙ্গে। কঠিন বলগুলো পার করার সঙ্গে সঙ্গে রানও তুলেছেন উইকেটের চারদিকে খেলে। এ প্রতিবেদন লেখার সময় মাহমুদুল ২০৬ বল খেলে করেছেন ৬৫। বাউন্ডারি মেরেছেন ৬টি। তবে মাহমুদুলের তুলনায় নাজমুল বেশি আগ্রাসী ছিলেন। তিনি আউট হওয়ার আগে ১০৯ বলে ৬৪ করেছেন ৭টি বাউন্ডারি ও একটি ছক্কায়। নিজের ফিফটি পূরণ করেন নাজমুল রাচিন রবীন্দ্রের বাঁ হাতি স্পিনে বিশাল এক ছক্কা হাঁকিয়ে। নিজের ভালো ইনিংসটা আরও এগিয়ে নিতে পারেননি নাজমুল। ওয়াগনরের বলে কাট করে ক্যাচ দেন ইয়ংকে। নাজমুলের পর উইকেটে এসেছেন অধিনায়ক মুমিনুল। তিনি অবশ্য রানের খাতা খুলেছেন বেশিক্ষণ হয়নি।

default-image

নিউজিল্যান্ডের সেরা বোলারদের বিপক্ষে দেখেশুনেই শুরুটা করেছিলেন সাদমান ও মাহমুদুল। ৪৩ রানের জুটিটা বড় হতে পারেনি। ১৯ তম ওভারে ওয়াগনরের নিচু হয়ে আসা একটি ফুলটসে পুশ করে আউট হয়ে যান সাদমান। ওয়াগনরকেই ক্যাচ দেন মিস টাইমিং করে। তাঁর ইনিংসটি ছিল ৫৫ বলে ২২ রানের। মেরেছেন একটি বাউন্ডারি।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন