বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

২১ বছর বয়সী এই তরুণ ব্যাটসম্যান নাকি কিউই বোলারদের তারকাখ্যাতিকে পাত্তাই দেননি! মাউন্ট মঙ্গানুই টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে দলের পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলছিলেন, ‘নিউজিল্যান্ড দলের পেস বোলিং আক্রমণ বিশ্বসেরা। ওরা টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপাজয়ী দল। আমি এ ক্ষেত্রে আমার স্বাভাবিক খেলাটাই খেলার চেষ্টা করেছি। ওদের বোলারদের নাম না দেখে বল দেখে খেলার চেষ্টা করেছি।’

নিজের সাবধানী ব্যাটিংয়ের পেছনে আরও কিছু ভাবনা ছিল বলে জানিয়েছেন মাহমুদুল, ‘আমার পরিকল্পনা ছিল রানের দিকে না গিয়ে বেশি বেশি বল খেলার। আমি বেশি বল খেলতে পারলে রান এমনিতেই আসবে। আমার সঙ্গী যারা ছিল—সাদমান ভাই, শান্ত (নাজমুল হোসেন) ভাই, মুমিনুল ভাই—সবাই একই কথা বলেছে। এটিই ছিল উইকেটে শান্ত থেকে ব্যাটিং করার পেছনের ভাবনা।’

default-image

টেস্টের আগে নিউজিল্যান্ড একাদশের বিপক্ষে দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচে ৬৬ রানের ইনিংস খেলেছিলেন মাহমুদুল। সেটিও নাকি মূল ম্যাচে মাহমুদুলকে ভালো করতে সাহায্য করেছে, ‘পরিকল্পনা তেমন কিছু ছিল না। মূল ম্যাচের আগে যে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছি, সেটা অনেক কাজে দিয়েছে। সেখানে আমি খেলার সুযোগ পাই এবং মোটামুটি ভালোই করি। সেখান থেকেই আমি আত্মবিশ্বাস পাই, যেটি টেস্টে মোটামুটি পারফর্ম করতে সাহায্য করেছে।’

মাহমুদুল ও নাজমুল হোসেনের জোড়া ফিফটিতে গড়া মঞ্চ কাজে লেগেছে তৃতীয় দিনের খেলায়। নিউজিল্যান্ডের ৩২৮ রানের জবাবে বাংলাদেশ তৃতীয় দিন শুরু করে ২ উইকেটে ১৭৫ রান নিয়ে। বাংলাদেশ দিন শেষ করেছে ৬ উইকেটে ৪০১ রান করে, লিড ৭৩ রান।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন