বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

ছুটি কাটিয়ে গতকাল বাংলাদেশে ফিরে এসেছেন সাকিব। আজ একটি মুঠোফোন প্রতিষ্ঠানের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় তাঁকে। কিন্তু মানুষটা তো ক্রিকেটের, প্রশ্ন ক্রিকেট নিয়েই বেশি হলো। আর বাংলাদেশের এমন চোখধাঁধানো জয় যখন মনের খুব কাছের স্মৃতি, চোখের সামনে যখন দ্বিতীয় টেস্ট...প্রশ্ন বেশি হলো নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশের সিরিজ নিয়েই।

আগামী পরশু থেকে শুরু হতে যাওয়া দ্বিতীয় টেস্টে উইকেট সবুজ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। নিউজিল্যান্ডের ট্রেন্ট বোল্ট, টিম সাউদি, নিল ওয়াগনারদের পেস আক্রমণ এমন উইকেটে সবচেয়ে ভয়ংকর।

এ নিয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা শঙ্কায় থাকলেও সাকিব মনে করিয়ে দিলেন উল্টো দিকটাও, ‘দেখুন, সবুজ উইকেট হলেও আমাদের জন্য যে সুবিধাটা থাকবে, সেটা হলো আমাদের যে তিনজন বোলার আছে, তারাও খুব ভালো বোলিং করেছে। (স্পিনার মেহেদী হাসান) মিরাজও অসাধারণ বোলিং করেছে। নিউজিল্যান্ডকেও আমাদের বোলারদেরও মুখোমুখি হতে হবে।’

default-image

আর লড়াই যখন দ্বিতীয় টেস্টের, প্রথম টেস্টের অভিজ্ঞতা সেখানে আত্মবিশ্বাসে প্রভাব ফেলবে বলেও মনে হচ্ছে সাকিবের, ‘স্বাভাবিকভাবেই এ রকম একটা ম্যাচ জেতার পর সবাই অনেক আত্মবিশ্বাসী থাকে। আমি আশা করব, এই আত্মবিশ্বাসটা যেন কাজে লাগে। কাজে লাগবেই, এমন নয়। তবে কাজে লাগলে খুব ভালো হবে।’

ব্যাট-বলের দক্ষতাই পাঁচ দিনের শেষে ব্যবধান গড়ে দেয় ঠিকই, তবে ক্রিকেট ম্যাচের ভাগ্য আর পরিকল্পনায় টস জেতা-হারার প্রভাবও তো অনেক বড় হয়ে দাঁড়ায়। সাকিবের চোখে ক্রাইস্টচার্চ টেস্টেও টস বড় প্রভাবক হয়ে দাঁড়াবে।

‘নতুন একটা ম্যাচ, প্রথম দিনটা গুরুত্বপূর্ণ হবে। টস জেতাটা গুরুত্বপূর্ণ হবে। আমার মনে হয়, টস জেতাটা এই টেস্টে সবচেয়ে বড় ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়াবে। কারণ, নিউজিল্যান্ডে সব সময় দ্বিতীয়-তৃতীয় দিনে উইকেটটা খুবই ভালো থাকে। সে কারণে টস জিতে যদি ফিল্ডিং নেওয়া যায়, আমার মনে হয় সেটা সবচেয়ে ভালো হবে দলের জন্য’—সাকিবের বিশ্লেষণ।

কিন্তু টস না জিতলে? লড়াইটা বাংলাদেশের জন্য শুরু থেকেই কঠিন হবে। তবে এখানেও প্রথম টেস্টের আত্মবিশ্বাসকেই পুঁজি মানছেন সাকিব, ‘টস না জিতলে হয়তো কঠিন হয়ে যাবে সবকিছু। তবে আমার ধারণা, প্রথম ম্যাচ থেকে যে আত্মবিশ্বাস পেয়েছে আমাদের দল, সেটা তারা খুব ভালোভাবে কাজে লাগাতে পারবে।’

default-image

নিউজিল্যান্ড সিরিজের বাইরে অনুষ্ঠানে মাঠে সাকিবের সামনের দিনের পরিকল্পনা নিয়ে কথা হয়েছে। কথা হয়েছে আসন্ন বিপিএল নিয়েও। সেখানে সাকিবের ফ্র্যাঞ্চাইজি ফরচুন বরিশাল দলে টেনেছে ক্রিস গেইল, নুরুল হাসানদেরও।

তাঁর নিজের পাশাপাশি বিপিএলে অন্য দল কেমন হলো, সে প্রশ্নে সাকিবের উত্তর, ‘দেখুন, আমি আমাদের দল নিয়ে বলতে পারব। আমার মনে হয় ভালো একটি ভারসাম্যপূর্ণ দল হয়েছে। যদিও সব দলই আমার কাছে একই রকম শক্তিশালী। যেহেতু আটজন করে স্থানীয় খেলোয়াড় খেলবে, তাই খুব বেশি একটা পার্থক্য নেই দলগুলোর ভেতরে। মাঠে যে দল ভালো খেলবে, তারাই ভালো করবে।’

বিপিএলের আগে ঘরোয়া ক্রিকেটে ৫০ ওভারের টুর্নামেন্ট বিসিএল আছে। বিপিএল শেষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ব্যস্ত হয়ে পড়বেন সাকিব। বিপিএল আর বিসিএলকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের প্রস্তুতি হিসেবেই দেখছেন সাকিব, ‘আমি চাই, যেন সম্ভাব্য সেরা ফিটনেস আর পারফরম্যান্স নিয়েই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটটা শুরু করতে পারি। সেটার জন্য এটা (বিপিএল ও বিসিএল) ভালো একটা শুরু বলে আমি মনে করি। যদি বিসিএলের কয়েকটা ম্যাচ খেলতে পারি, তারপর বিপিএলের ম্যাচ থেকে আত্মবিশ্বাস নিতে পারি...সামনেই আমাদের আফগানিস্তানের সঙ্গে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি আছে। আমার মনে হয়, এই দুটি সংস্করণ (বিপিএল ও বিসিএল) ওই দুটি সংস্করণের (আফগানিস্তান সিরিজ) সঙ্গে ভালোভাবে খাপ খায়।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন