বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

অবিশ্বাস্য কিছু না ঘটলে সেমিফাইনাল থেকেই ভারত বিদায় নিচ্ছে, এটা নিশ্চিত। সেমিতে ওঠার জন্য এখন স্কটল্যান্ড কিংবা নামিবিয়া যেন অঘটন ঘটায়, সে আশায় থাকতে হবে ভারতকে।

ওদিকে পাকিস্তান আর নিউজিল্যান্ড যদি নিজেদের হাতে থাকা বাকি ম্যাচগুলো জিতে যায়, তাহলে ভারতের সেমিতে যাওয়ার কোনো সম্ভাবনাই নেই।

কোহলি সবকিছুই বোঝেন। বোঝেন বলেই ম্যাচ শেষে নিজেদের পারফরম্যান্সের ঘাটতিটাই চোখে পড়েছে ভারত অধিনায়কের, ‘আমার মনে হয় না ব্যাট বা বল হাতে আমরা সাহসী ছিলাম। আমাদের লড়ার জন্য তেমন পুঁজি ছিল না, কিন্তু আমরা পরে যখন মাঠে নামলাম, আমরা সাহসী ছিলাম না। আপনি যখন ভারতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে খেলবেন, আপনার ওপর অনেক প্রত্যাশা থাকবে। শুধু ভক্ত-সমর্থকদের কাছ থেকেই নয়, খেলোয়াড়দের কাছ থেকেও।’


দলগতভাবে ভারত যে প্রত্যাশার চাপ সহ্য করতে পারেনি, সেটাই অকপটে উঠে এসেছে কোহলির কথায়, ‘প্রতি ম্যাচেই অনেক চাপ মাথায় নিয়ে আপনাকে নামতে হবে। বছরের পর বছর ধরে সেই চাপ সহ্য করেই আমরা খেলে গিয়েছি। ভারতের হয়ে যে খেলে তাকেই এই চাপ সহ্য করতে হয়। দলগতভাবে এই চাপ সামাল দিতে হয়, যেটা আমরা গত দুই ম্যাচে করতে পারিনি। চাপ এলেই যে আপনি ভিন্নভাবে খেলা শুরু করবেন ব্যাপারটা এমন নয়।’

default-image

যদিও এখনই হাল ছেড়ে দিতে রাজি নন কোহলি। কাগজে-কলমে গ্রুপের দুর্বলতম তিন দলের বিপক্ষেই শেষ তিন ম্যাচে খেলতে নামবে ভারত। বুধবার লড়বে রশিদ-নবীদের আফগানিস্তানের সঙ্গে, নভেম্বরের ৫ ও ৮ তারিখে খেলবে যথাক্রমে স্কটল্যান্ড ও নামিবিয়ার সঙ্গে। এ তিন ম্যাচে কোহলিদের জিততে তো হবেই, আশা করতে হবে আফগানরা যেন হারিয়ে দেয় নিউজিল্যান্ডকে, বা নামিবিয়া-স্কটল্যান্ডের কারোর কাছে যেন কাটা পড়ে পাকিস্তান।

সবকিছু মিলিয়ে এখনো সেমিফাইনাল নিয়ে ইতিবাচক কোহলি, ‘আমার মনে হয় আমাদের এখনো সুযোগ আছে, এখনো অনেক ক্রিকেট খেলা বাকি আমাদের।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন