default-image

বৃষ্টির কারণে ম্যাচটি পরিণত হয়েছিল ৪১ ওভারের ম্যাচে। নির্ধারিত ওভারে ৭ উইকেট নেদারল্যান্ডস স্কোরবোর্ডে তোলে ২৩৫ রান। স্কোর একেবারে মন্দ নয়। লড়াইয়ের রসদ ছিলই। কিন্তু সেটি নির্ভর করত ডাচ বোলাররা ইংল্যান্ডের ব্যাটসম্যানদের কতটা চাপে ফেলতে পারবেন তার ওপর। নিজের শততম ওয়ানডেতে ৬০ বলে ৭৩ রান করে ইংল্যান্ডের শঙ্কা যা ছিল, সেটি দূর করেছেন জেসন রয়। তাঁর উদ্বোধনী ব্যাটিং সঙ্গী ফিল সল্টও কম যাননি। তিনি ৫৪ বলে ৭৭ করেছেন। ১৩৯ রানের উদ্বোধনী জুটিতেই ম্যাচটা নিজেদের করে নিয়েছিল ইংল্যান্ড। তবে মাঝের সময়ে কিছুটা নাটক হয়েছে। খুব অল্প সময়ের বিরতিতেই ৪ উইকেট হারিয়ে বসেছিল ইংল্যান্ড। প্রথমে ১৩৯ রানের মাথায় জেসন রয়, ১৬৮ রানের মাথায় ফিল সল্ট। এরপর সেই ১৬৯ রানেই অধিনায়ক এউইন মরগান শূন্য রানে ফিরলে ডাচ সমর্থকেরা কিছুটা নড়েচড়ে বসেছিলেন। ১৭৭ রানে লিয়াম লিভিংস্টোন আউট হলে ইংলিশ ড্রেসিং রুমে কিছুটা শঙ্কার হাওয়াই বয়ে গিয়েছিল। তবে সেটি দূর করেছেন মঈন আলী, ৪০ বলে ৪২ রান করে। ডেভিড মালানের ধৈর্যশীল অপরাজিত ইনিংসের সঙ্গে (৫০ বলে ৩৬) মঈন আলীর ব্যাটিং ৩৬.১ ওভারেই জয়ের বন্দরে নিয়ে যায় ইংল্যান্ডকে।

default-image

নেদারল্যান্ডসের সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন আরিয়ান ডাট। তিনি ৫৫ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন। একটি করে উইকেট নিয়েছেন টিম প্রিঙ্গল ও টিম কুপার।

নেদারল্যান্ডসের শুরুটা ভালো হয়নি। ১৭ রানের মাথায় ফেরেন বিক্রমজিৎ সিং। এরপর ৩৪, ৩৬ ও ৯৭ রানের মাথায় ফেরেন যথাক্রমে ম্যাক্স ও’ডুড, টম কুপার ও বাস ডি লিডে। এরপর স্কট এডওয়ার্ডস ও তেজা নিদামানুরুর মধ্যে বড় একটা জুটিই নেদারল্যান্ডসকে ম্যাচে ফেরায়। এডওয়ার্ডস ৭৩ বলে ৭৮ রান করেন। নিদামানুরু করেন ৩০ বলে ২৮। শেষ দিকে লোগান ফন বিকের ৩৬ বলে ৩০ আর শেন স্ল্যাটারের ১০ বলে ১৭ রানের ঝোড়ো ইনিংসে নেদারল্যান্ডসের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৭ উইকেটে ২৩৫।

ইংল্যান্ডের পক্ষে ডেভিড উইলি ও আদিল রশীদ ২ উইকেট করে নিয়েছেন। এক উইকেট নিয়েছেন লিয়াম লিভিংস্টোন।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন