বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

সে সময়ের ক্রিকেটের সঙ্গে বর্তমানের কত পার্থক্য, এ নিয়ে কথা বলছিলেন ত্রিপাঠী। বলিউড হাঙ্গামার কাছে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘তখন তো মাত্র ১৪ খেলোয়াড় ও মান ভাই-ই ছিল। মান সিং ছিলেন দলের ম্যানেজার, ফিজিও, সবকিছু। তখন আনুষ্ঠানিকভাবে দলের কোনো কোচও ছিল না।’

’৮৩ বিশ্বকাপ মানেই কপিল দেব। এরপর নাম আসে মহিন্দর অমরনাথ, সুনীল গাভাস্কার, রজার বিনি, সৈয়দ কিরমানিদের। শ্রীকান্ত, ভেংসরকার, পাতিল, আজাদ বা শাস্ত্রীদের নামও শোনা যায়। কিন্তু দলের ম্যানেজার হিসেবে মান সিংয়ের নাম এ প্রজন্মের অনেকেরই জানা নেই।

default-image

ত্রিপাঠী নিজেও তাঁর চরিত্রের মানুষটির সম্পর্কে খুব বেশি জানতেন না, ‘হায়দরাবাদে তাঁর বাসায় পুরো এক দিন কাটিয়েছি। মেকআপ ঠিক করে সঠিক চেহারা দেওয়া হয়েছে। আমাকে শরীরী ভাষা নিয়ে খুব বেশি কাজ করতে হয়নি। কারণ, সংবাদমাধ্যমে তাঁকে নিয়ে খুব বেশি তথ্য নেই। যা আছে, সব বর্তমান সময়ের। কিছু ছবি আছে এবং কিছু ভিডিও আছে, যা দেখেছি। শরীরী ভাষার চেয়ে একজনের মাথায় কী চলছে, সেটাই ধরার চেষ্টা করেছি। একজন মানুষের চিন্তা দেখা যায় না, কিন্তু এটাই একটা মানুষের চালিকা শক্তি। মান সিং খুবই সুশৃঙ্খল মানুষ এবং ক্রিকেট ভালোবাসেন। নিজে রঞ্জি খেলেছেন। দেখা হওয়ার পর অনেক গল্প শুনেছি তাঁর কাছ থেকে।’

default-image

চরিত্র নিয়ে এত কাজ করার পরই ’৮৩ বিশ্বকাপ নিয়ে নিজের ভাবনাটা বদলেছেন ত্রিপাঠী, ‘সব পড়াশোনা শেষে আমি বুঝতে পেরেছি, এটা শুধুই বিশ্বকাপ নয়, এর চেয়েও বেশি কিছু।’

যদিও সেই সময়ে এসব বুঝতে পারেননি ত্রিপাঠী। বুঝবেন কীভাবে, সাত বছরের ত্রিপাঠী তো সে খবরই পাননি। বিহার গ্রামে বড় হওয়া এই অভিনেতা জানিয়েছেন, ‘আমি ১৯৮৮ সালে এসে জানলাম, ১৯৮৩ সালে ভারত বিশ্বকাপ জিতেছে। তখন আমার বয়স সাত-আট ছিল এবং গ্রামে “গিলি ডান্ডা” (ডাংগুলি) খেলছিলাম। লন্ডনে যে ভারত ইতিহাসের জন্ম দিচ্ছে, তা আর কে জানত!’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন