default-image

১ উইকেটে ৬৯ রান নিয়ে দিন শুরু করা ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে এনক্রুমা বোনারকে নিয়ে অধিনায়ক ক্রেইগ ব্রাফেট দ্বিতীয় উইকেটে তোলেন আরও ৬৮ রান। এমনিতে আজও শুরুতে লঙ্কান স্পিনারদের বেশ ভালোভাবেই সামলেছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ব্যাটসম্যানরা।
তবে এরপরই কাজে এসেছে গতকাল মেন্ডিসের করা বিশেষ পরিকল্পনা।

মেন্ডিস জানান সেটির কথা, ‘যেমনটা ভেবেছিলাম, তেমন টার্ন গতকাল পিচে মিলছিল না। এমনকি গতকাল বিকেলেও টার্ন মেলেনি। কোচের সঙ্গে বসে তাই আমরা প্রচুর ডট বল করার পরিকল্পনা করেছিলাম, একই জায়গায় বল করতে চেয়েছি। আমাদের তেমন রান ছিল না সংগ্রহে। আমি শুধু একটা জায়গাতেই বল রাখতে চেয়েছি।’

default-image

সেটা কাজেও দিয়েছে। ৩৫ রান করা বোনারকে এলবিডব্লিউ করে ইনিংসে প্রথম উইকেটের দেখা পান মেন্ডিস, দিনের প্রথম ব্রেক থ্রু-ও সেটিই। শাই হোপকে নিয়ে ব্রাফেট টিকে ছিলেন আরও কিছুক্ষণ। লাসিথ এম্বুলদেনিয়ার বলে এলোমেলো হয়ে পড়ে বোল্ড হওয়ার আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক করেন ১৮৫ বলে ৭২ রান—ইনিংসে সর্বোচ্চ সেটিই।

অধিনায়ক ফেরার পর নিয়মিত বিরতিতেই উইকেট হারিয়েছেন সফরকারীরা। রোস্টন চেজ, হোপ, জেসন হোল্ডার ও জশুয়া ডা সিলভা ফিরেছেন মাত্র ১৭ রানের ব্যবধানে। চারজনের উইকেটই নিয়েছেন মেন্ডিস। তাঁদের মধ্যে হোল্ডার ও ডা সিলভাকে পরপর দুই বলে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সামনেও দাঁড়িয়ে গিয়েছিলেন এই অফ স্পিনার। ডা সিলভার উইকেট দিয়েই অবশ্য ক্যারিয়ারে প্রথমবার পাঁচ উইকেট পাওয়া হয়ে গেছে তাঁর।

default-image

২০৮ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে ফেলার পরও ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২৫৩ পর্যন্ত গেছে নবম উইকেটে কাইল মেয়ার্স ও ভিরাস্যামি পেরমলের ৩৮ রানের জুটিতে। লাসিথ এমবুলদেনিয়ার বলে পেরমল বোল্ড হওয়ার পর মেন্ডিসের ষষ্ঠ শিকারে পরিণত হয়েছেন জোমেল ওয়ারিক্যান। মেয়ার্স অবশ্য শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন ৩৬ রান করে। মেন্ডিস ৬ উইকেট নিয়েছেন ৭০ রানে।

শেষ সেশনে ব্যাট করতে নেমে শ্রীলঙ্কা দুটি উইকেটই হারিয়েছে রান-আউটে। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই সিঙ্গেল চুরি করতে গিয়ে মেয়ার্সের সরাসরি থ্রোয়ে প্রথমে ফিরেছেন অধিনায়ক দিমুথ করুনারত্নে। সে চাপ তখন একটু সামাল দিয়েছিলেন ওশাদা ফার্নান্ডো ও পাতুম নিশাঙ্কা। তবে ভুল বোঝাবুঝিতে ইনিংসের দ্বিতীয় রান-আউটে পরিণত হয়েছেন ফার্নান্ডো। দিনের বাকিটা সময় অবশ্য চারিত আসালাঙ্কার সঙ্গে নিরাপদেই পার করেছেন নিশাঙ্কা। দিন শেষে তিনি অপরাজিত ২১ রানে।

আগের দুই দিন বৃষ্টির দাপট থাকলেও তৃতীয় দিনে গলে খেলা হয়েছে বৃষ্টি-বাধা ছাড়াই।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন