বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

ব্রডের কথায় যুক্তিও আছে। টি-টোয়েন্টি সিরিজে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় পরীক্ষাটা অবশ্য গতকাল শেষ ম্যাচে নিয়েছে পাকিস্তান। যেখানে ইংলিশ স্পিনার আদিল রশিদের ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে (৪/৩৫) পাকিস্তানে ৬ উইকেটে করে ১৫৪ রান, কিন্তু সেটি তাড়া করতে গিয়েও হিমশিম খেতে হয়েছে স্বাগতিকদের। উইকেট ছিল একেবারেই উপমহাদেশীয়। পাকিস্তানি স্পিনারদের বল আসছিল থেমে থেমে। শট খেলা ছিল কঠিন। আর মরগানদের একমাত্র দুর্বলতা হলো এমন উইকেটে দ্রুত রান তোলা।

কালও সেটা আরেকবার প্রমাণিত হলো। পাকিস্তানের রান তাড়ায় ওপেনার জেসন রয় ৩৬ বলে ৬৪ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে আউট হলে শুরু হয় ইংলিশ ব্যাটসম্যানদের আসা-যাওয়ার মিছিল। শাদাব খান, উসমান কাদির ও ইমাদ ওয়াসিমের স্পিন তখন ইংলিশদের জন্য বিষ হয়ে উঠেছিল। তবে মাঝের ওভারে একের পর এক উইকেট হারালেও ইংলিশ ব্যাটসম্যানরা চার-ছক্কা মারার অভ্যাস থেকে সরে আসেননি।

default-image

শেষের দিকে মরগান যেমন ২ ছক্কা ও ১ চারে ১২ বলে ২১ রান করে ইংল্যান্ডকে জয়ের খুব কাছে নিয়ে যান। কিন্তু উইকেটের মন্থর আচরণের ফাঁদে তিনিও পা দিয়ে আউট হন হাসান আলীর বলে। তবে স্কোরবোর্ডে যথেষ্ট রান না থাকায় ইংল্যান্ডকে চেপে ধরতে পারেনি পাকিস্তান। শেষ পর্যন্ত ২ বল বাকি থাকতে ৩ উইকেটে জিতেছে ইংল্যান্ড।

এর আগে পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ে ওপেনার মোহাম্মদ রিজওয়ানের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের বাইরে আর কিছু ছিল না। ৫৭ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ৭৬ রান নিয়ে ইনিংসের শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন রিজওয়ান। পাকিস্তান দলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান পাঁচে নামা ফখর জামানের ২০ বলে ২৪। ওপেনিংয়ে রিজওয়ানের সঙ্গী হয়ে নামা অধিনায়ক বাবর আজম আউট হয়েছেন ১৩ বলে ১১ রান করে।

default-image

অধিনায়ক মরগান এমন কন্ডিশনে পাকিস্তানের মতো দলের বিপক্ষে ম্যাচ জিততে পেরে বেশ খুশি। খেলা শেষে তিনি বলছিলেন, ‘ইংল্যান্ডের জন্য সবচেয়ে বাজে উইকেট ছিল এটি। এমন উইকেটে জয় আমাদের জন্য অনেক অর্থবহ। আমরা যেভাবে খেলি, যে ধরনের ক্রিকেট খেলি, সেদিক থেকে এটা খুবই খারাপ উইকেট ছিল। তবে আমাদের এমন উইকেটে জিততে হবে। সেদিক থেকে আমি খুবই গর্বিত।’

বিশ্বকাপেও বেশির ভাগ ম্যাচের উইকেট এমনই থাকার কথা। খেলাটা যে হবে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমানে।

বিশ্বকাপের আগে এই পাকিস্তান সিরিজই ছিল ইংলিশদের দল নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার শেষ সিরিজ। সিরিজের তিন ম্যাচজুড়ে স্বাগতিকেরা সেটা করেছেও সফলভাবে। অভিজ্ঞদের বিশ্রাম নিয়ে নতুনদের নিয়ে নতুন সমন্বয়ে খেলেছে ইংল্যান্ড। সিরিজ থেকে ইংল্যান্ড পেয়েছে লিয়াম লিভিংস্টোন, সাকিব মাহমুদ, লুইস গ্রেগরি, ম্যাট পার্কিংসনের মতো নতুনদের। আর মরগান-স্টোকসদের মতো চেনা নামগুলো তো আছেই। যেন আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের যুদ্ধে নামার আগে সব অস্ত্র ঘষেমেজে পরিষ্কার করে রাখলেন মরগানরা।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন