default-image
>১০৭ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে বড় সংগ্রহের ভিত্তি এনে দিয়েছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। তবে পাকিস্তানি বোলাররাও যে অজ্ঞাতে তাঁকে সহযোগিতা করেছেন সেটা জানিয়ে দিয়েছেন ওয়ার্নার

বল টেম্পারিং কেলেঙ্কারিতে পর্যুদস্ত ডেভিড ওয়ার্নার বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৯ দিয়ে অস্ট্রেলিয়া দলে ফিরেছেন। বিশ্বকাপে এসেও খুব একটা স্বস্তিতে ছিলেন না। মাঠে নামলেই যে দুয়ো শুনতে হচ্ছিল। কিন্তু ওয়ার্নার পণ করেছিলেন সব চাপকে জয় করতে, দুয়োর জবাব ব্যাট দিয়েই দেবেন। চার ম্যাচে দুই ফিফটি এবং এক সেঞ্চুরিতে ২৫৫ রান করে ফেলেছেন ওয়ার্নার।

পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের শুরু থেকেই বোলারদের নাজেহাল করেছেন ডেভিড ওয়ার্নার। উদ্বোধনী জুটিতে অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চকে সঙ্গে নিয়ে ১৪৬ রানের বিশাল জুটি গড়েছেন। পাকিস্তানি বোলারদের বৈচিত্র্যহীন বোলিংকে সহজে মোকাবিলা করে যে সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন সেটিও বললেন অবলীলায়, ‘তারা হয় খুব বেশি শর্ট বল করছিল, নয়তো বেশি ফুল লেংথে বল করছিল। এতে আমি হাত খুলে খেলার সুযোগ পেয়েছি।’

প্রায় দেড় বছর পর ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি পেয়ে যারপরনাই উচ্ছ্বসিত ওয়ার্নার, ‘অনেক দিন ধরেই সেঞ্চুরি পাচ্ছিলাম না। আফগানিস্তানের সঙ্গে রান পেলেও ঠিক ছন্দ খুঁজে পাচ্ছিলাম না, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে কিছুটা অলস ছিলাম আমি। ভারতের বোলারদের মোকাবিলা করাটা কঠিন ছিল। কিন্তু এই ম্যাচে (পাকিস্তানের বিপক্ষে) আমি নিজের সহজাত খেলাটা খেলতে পেরেছি।’

দ্রুত রান তোলার জন্য পাকিস্তানের দুই পার্ট-টাইম স্পিনার হাফিজ এবং মালিককে যে টার্গেট করেছিলেন সেটিও জানালেন, ‘আমরা জানতাম শোয়েব মালিক এবং মোহাম্মাদ হাফিজকে দিয়ে অন্তত দশ ওভার বোলিং করাবে তারা। তাই আমরা দ্রুত রান তোলার জন্য এই দুজনকেই লক্ষ্য বানিয়েছিলাম।’

ম্যাচে দুই দলই দ্রুতগতিতে রান তুলেছে। যদিও ওয়ার্নার বলছেন উইকেট বোলিং সহায়ক ছিল, প্রান্ত বদল করাও সহজ ছিল না, ‘উইকেট যেহেতু বোলারদের জন্য সহায়ক ছিল, তাই ব্যাটিংয়ের ক্ষেত্রে টেস্টের মানসিকতা প্রয়োজনীয় ছিল। রক্ষণের ক্ষেত্রে আঁটসাঁট হওয়ার সঙ্গে দ্রুত রান তোলাটাও জরুরি ছিল। তবে এ ধরনের উইকেট ওয়ানডে ক্রিকেটের জন্য দারুণ।’

১৫ জুন ওভালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাঠে নামবে অস্ট্রেলিয়া।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0