বিজ্ঞাপন

পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের যেকোনো বিষয়ে ঢালাও মন্তব্য করার একটা প্রবণতা আছে। মাকসুদের মন্তব্যটা সেভাবেই দেখা উচিত। নয়তো আক্রমণাত্মক ব্যাটসম্যান হয়েও ওয়ার্নার আর শেবাগ টেস্টে যতটা সফল, তাতে উপমা হিসেবেও এমন মন্তব্য আসা উচিত নয়। তবে তিনি হয়তো নিজ দেশের নির্বাচকদের ওপর ক্ষোভ থেকেই এমনটা বলেছেন। ওয়ার্নার আর শেবাগের টেস্ট ক্যারিয়ারকে প্রসঙ্গ ধরলে হয়তো তাঁর মনে হয়, তিনিও তো এভাবেই খেলতেন। সুযোগ পেলে তিনি শেবাগ কিংবা ওয়ার্নার হয়তো হতে পারতেন না, কিন্তু টেস্টে মোটামুটি ভালোই করতেন।

default-image

২০১৬ সালে শেষবার পাকিস্তান দলে খেলেছিলেন এই মাকসুদ। ডানহাতি ব্যাটসম্যানের বয়সটা হয়ে গেছে ৩৪। টেস্ট যে তিনি আর খেলতে পারবেন না, সেটা তিনি ভালোই বোঝেন। তবে পাকিস্তান দলে ফেরার ব্যাপারটি মাথায় রেখেছেন এখনো। নিজের ব্যাটিংয়ের আক্রমণাত্মক ব্যাপারটি আছে বলেই ওয়ানডে কিংবা টি-টোয়েন্টিতে এখনো পাকিস্তানের জার্সি পরার স্বপ্ন দেখেন তিনি।

ওয়ার্নার আর শেবাগের প্রসঙ্গ এসেছে নিজের দুঃখের কথা বলতে গিয়েই, ‘একটা সময় ছিল যখন পাকিস্তানি নির্বাচকেরা আক্রমণাত্মক আর দ্রুতগতিতে রান করতে পারেন, এমন ব্যাটসম্যানদের টেস্টে বিবেচনাই করতে চাইতেন না। আমার তো মনে হয়, পাকিস্তানে জন্ম নিলে বীরেন্দর শেবাগ কিংবা ডেভিড ওয়ার্নাররা টেস্টই খেলতে পারতেন না।’

default-image

পাকিস্তানের হয়ে ২৬টি ওয়ানডে আর ২০টি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন মাকসুদ। রান করেছেন যথাক্রমে ৭৩৫ ও ২২১। টেস্টে সুযোগ না পাওয়ার দুঃখটা কোনো দিনই যায়নি তাঁর। অথচ যে শেবাগ আর ওয়ার্নারের টেস্ট ক্যারিয়ার আক্রমণাত্মক ও মারকুটে হওয়ার পরও রীতিমতো জ্বলজ্বলে। টেস্টে মেরে খেলেও শেবাগ ১০৪ টেস্টে সাড়ে ৮ হাজারের ওপর রান করেছেন। গড় ৪৯.৩৪। টেস্টে তাঁর দুটি ট্রিপল সেঞ্চুরিও আছে। ওয়ার্নার তো ৮৬ টেস্টেই করে ফেলেছেন ৭ হাজার ৩১১ রান। তাঁরও আছে ৩৩৫ রানের এক ইনিংস।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন