বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের শেষ ম্যাচটিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ইনিংস টেনেটুনে ৭৩ পর্যন্ত পৌঁছাতে পেরেছিল। সে ম্যাচটি অস্ট্রেলিয়া শেষ করেছিল ৬.২ ওভারে। কেবল অস্ট্রেলিয়া কেন, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও একশ পেরোতে পারেনি বাংলাদেশ দল। স্কটল্যান্ডের সঙ্গে হেরে বিশ্বকাপ শুরু করার পর সুপার টুয়েলভটা নিশ্চিত হলেও মূল পর্বে শ্রীলঙ্কা আর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচ দুটি ছাড়া বাকিগুলোতে বাংলাদেশের ফল ভুলে যাওয়ার মতোই।

এমন একটা পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নতুন, আগামী দিনের কিছু ক্রিকেটারকে ‘ঘুরে দাঁড়ানো’র জন্য নামিয়ে দেওয়াটা যথেষ্ট সাহসের ব্যাপারই। দলে এক ঝাঁক নবীন ক্রিকেটারকে ডেকে আজ পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টি–টোয়েন্টি ম্যাচের একাদশটা নিয়ে দেখা দিয়েছে রহস্য। কে খেলবেন, কে বসে থাকবেন, দলে কয়টা বদল আসবে! তবে এটা নিশ্চিত, আজ পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচটিতে একাধিক ক্রিকেটার আন্তর্জাতিক অভিষেকের সামনে দাঁড়িয়ে।

default-image

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের একাদশে থাকা মুশফিক, লিটন আর সৌম্যর জায়গায় তিনটি বদল তো আসছেই। ওপেনিং পজিশনে মোহাম্মদ নাঈম থাকবেন, তাঁর সঙ্গী কে? সাইফ হাসানকে অনুশীলন করতে দেখা গেছে সে পরিকল্পনা মাথায় নিয়েই। দেশের হয়ে টেস্ট খেললেও, দীর্ঘ পরিসরের ক্রিকেটে এখনো পর্যন্ত নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি সাইফ, দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটেও খুব টি–টোয়েন্টি ঘরানার ক্রিকেটার হিসেবে পরিচিতি নেই ডান হাতি সাইফের। তিনি আজ খেলবেন, নাকি ইয়াসির আলীকে পাঠানো হবে নাঈমের সঙ্গী হিসেবে? তবে এখনো পর্যন্ত ইয়াসিরকে নাকি টিম ম্যানেজমেন্ট মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান হিসেবেই ভেবে রেখেছেন। তাঁর অভিষেক যদি আদৌ হয়, সেটি হবে মিডল অর্ডার হিসেবেই হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

বাংলাদেশ দলে আরেক অন্তর্ভুক্তি বাঁ হাতি ব্যাটসম্যান নাজমুল হোসেন। এর আগে সাদা বলের ক্রিকেট খেললেও খুব একটা সাফল্যের ছাপ রাখতে পারেননি। এরপর থেকেই তিনি টেস্ট দলের বিবেচনাতেই ছিলেন বেশি করে। পাকিস্তানের বিপক্ষে টি–টোয়েন্টি সিরিজে তাঁকে নেওয়া হয়েছে দলে। তাঁর দুটি জায়গা আছে—ওপেনিং ও তিন নম্বর। নাজমুলকে এখন কোথায় খেলানো হবে, সেটি টিম ম্যানেজমেন্টই ঠিক করবে। তবে তাঁর একাদশে থাকা একপ্রকার নিশ্চিতই। শেষ পর্যন্ত সাইফকে যদি ওপেনিং করানো না হয়, তাহলে সেটি করবেন নাজমুলই।

default-image

মিডল অর্ডারে মাহমুদউল্লাহ থাকবেন। আছেন আফিফ হোসেন। কিপিং করবেন হয়তো নুরুল হাসান। অফ স্পিনার মেহেদী হাসান সাত নম্বরের জন্য দারুণ। টিম ম্যানেজেন্টে অনূর্ধ্ব–১৯ বিশ্বকাপজয়ী দলের অধিনায়ক আকবর আলীকে খেলায় কিনা, সেটি একটি প্রশ্ন। তবে আপাতদৃষ্টিতে সেই সম্ভাবনা ক্ষীণই মনে হচ্ছে।

বোলিংয়ে তাসকিন আহমেদ আর মোস্তাফিজুর রহমানের থাকার সম্ভাবনা বেশি। টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শরীফুল ইসলাম তাঁর বাঁ হাতি পেস দিয়ে দৃষ্টি কেড়েছেন সবার। উইকেটের ওপরই আসলে নির্ভর করছে তাঁর খেলা না খেলা। স্পিন আক্রমণে নাসুম আহমেদের খেলার সম্ভাবনাই বেশি। তবে কোনো কারণে লেগ স্পিনার আমিনুল ইসলামকে খেলিয়ে দিলে সেটি চমক হিসেবেই বিবেচনা করতে হবে।

বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ: মোহাম্মদ নাঈম, সাইফ হাসান/ইয়াসির আলী. নাজমুল হাসান, মাহমুদউল্লাহ, আফিফ হোসেন, নুরুল হাসান, মেহেদী হাসান, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান, নাসুম আহমেদ, শরীফুল ইসলাম/আমিনুল ইসলাম

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন