default-image

শুরুটা হয়েছিল বিপর্যয়ের। মাত্র ১৬ রানেই ২ উইকেট হারিয়ে কাঁপতে থাকা বাংলাদেশের ব্যাটিংকে পথ দেখিয়েছিলেন তামিম ইকবাল ও মাহমুদউল্লাহ। এই দুই ব্যাটসম্যান তৃতীয় উইকেটে ১৬৯ রানের জুটি গড়ে তুলেছিলেন প্রতিরোধের দেয়াল। বড় সংগ্রহের স্বপ্নও দেখছিল বাংলাদেশ। কিন্তু শেষের ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে স্কোরবোর্ডে উঠল ২৪৬।
সিডনির অলিম্পিক পার্ক ওভালে টসে জিতে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশের শুরুটা ছিল তথৈবচ। স্কোরবোর্ডে এক রান উঠতেই শূন্য রানে রাজঘরে ফেরেন বিশ্বকাপের আগে ফর্ম নিয়ে ধুঁকতে থাকা এনামুল হক। সোহাইল খানের বলে শোয়েইব মাকসুদের হাতে ধরা পড়েন তিনি। তিনে নামা মুমিনুল নিজের খাতায় ৭ রান তুলে হ্যারিস সোহেলের বলে ক্যাচ দেন তাঁরই হাতে।
বিপর্যয়কর পরিস্থিতিতে দলের হার ধরেন তামিম ইকবাল ও মাহমুদউল্লাহ। বাংলাদেশের ইনিংসের উজ্জ্বলতম অংশও ছিল এই তৃতীয় উইকেট জুটি। জুটিতে ১৬৮ রান তুলে প্রথমে আউট হন মাহমুদউল্লাহ। ব্যক্তিগত ৮৩ রানে মাহমুদউল্লাহ রানআউটের দুর্ভাগ্যের শিকার না হলে বাংলাদেশের সংগ্রহটা নিশ্চিতভাবেই আরও স্ফীত হতে পারত। একই কথা প্রযোজ্য তামিমের বেলায়। ৮১ রান করে তিনিও খুব বাজে সময় সাজঘরে ফেরেন। তৈরি ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে রানটাকে দ্রুতগতিতে বাড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় তামিম-মাহমুদউল্লাহর ফেরাটা শেষ পর্যন্ত রানটাকে খুব চ্যালেঞ্জিং চেহারা দিতে পারেনি। মাহমুদউল্লাহর ৮৩ রান আসে ১০৯ বল খেলে, ৫টি চারের সাহায্যে। তামিমও ১০৯ বল ও ৫টি চার খেলে সাজান তাঁর ৮১ রানের ইনিংসটি।
তামিম-মাহমুদউল্লাহর ফিরে যাওয়ার পর বলার মতো স্কোর কেবল সাকিব আল হাসানেরই। তিনি ৩০ বলে ৩১ রান করে মোহাম্মদ ইরফানের বলে আহমেদ শেহজাদের ক্যাচ হন। মুশফিক আউট হন শূন্য রানে, প্রথম বলেই, ইয়াসির শাহর হাতে। সৌম্য করেন ১৫ রান ১৭ বলে। তিনি ফেরেন ওয়াহাব রিয়াজের বলে, উমর আকমলের হাতে ধরা পড়ে। সাব্বির, মাশরাফি ও আরাফাত সানি ইনিংসের শেষ ওভারে মোহাম্মদ ইরফানের শিকারে পরিণত হলে বাংলাদেশের সংগ্রহ আড়াই শয়ের কোটা পেরোয়নি।
পাকিস্তানের পক্ষে সেরা বোলার ওই ইরফানই। তিনি ৫২ রান দিয়ে তুলে নেন ৫ উইকেট। সোহাইল খান ও ওয়াহাব রিয়াজ নিয়েছেন একটি করে উইকেট। ইয়াসির শাহর ঝুলিতে গেছে ২টি উইকেট। শহীদ আফ্রিদি ছিলেন সবচেয়ে খরচে বোলার। তাঁর ১০ ওভারে রান উঠেছে ৫৬। একটি উইকেটও নিজের করতে পারেননি তিনি।

বিজ্ঞাপন
ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন