বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

অবশ্য প্রশ্নটা তাঁর দিকে বারবার আসার কারণও আছে। শোয়েব মালিক নিজেই আগে বলেছিলেন, এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের হয়ে শিরোপা জিতেই ক্রিকেটকে বিদায় বলে দেবেন। সে কারণেই কি না, বিশ্বকাপের মাঝপথে নতুন করে প্রশ্নটা আবার করা হয়েছে তাঁকে। প্রশ্নের জবাবে শোয়েব অবশ্য সহজ উত্তরই দিয়েছেন, ‘এই মুহূর্তে আমার সব মনোযোগ বিশ্বকাপের ম্যাচগুলোর দিকে। টুর্নামেন্টের মাঝপথে এসে আমি অবসর নিয়ে ভাবছি না।’

সেই ১৯৯৯ সাল থেকে পাকিস্তানের জার্সি গায়ে খেলে যাওয়া শোয়েব মালিক অবশ্য এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এখনো আলো ছড়ানোর সুযোগ সেভাবে পাননি। পাবেন কীভাবে, পাকিস্তান এত দাপটে খেলছে যে, শোয়েব মালিকের সেভাবে দরকারই পড়ছে না। সুপার টুয়েলভে পাকিস্তানের প্রথম ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে তো দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ান পাকিস্তানের আর কোনো ব্যাটসম্যানকে নামতেই দেননি! ১০ উইকেটেই সেদিন ম্যাচটা জিতেছে পাকিস্তান। শোয়েব মালিকের সেদিন ব্যাট হাতে নামা হয়নি।

default-image

নিউজিল্যান্ড ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে পরের দুই ম্যাচে যা একটু ব্যাটিং করার সুযোগ পেয়েছেন শোয়েব মালিক, তাতে এক ম্যাচে ভালো করেছেন, অন্য ম্যাচে করতে পারেননি। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে তো তাঁর অভিজ্ঞতার ছাপই দেখেছে পাকিস্তান।

১৩৬ রানের লক্ষ্যে ৮৭ রানে ৫ উইকেট হারানো পাকিস্তান যে ম্যাচটা ৫ উইকেট হাতে রেখেই জিতেছে, তাতে পাঁচে নামা শোয়েবের ২০ বলে অপরাজিত ২৬ রানের দারুণ অবদান। সেদিন অবশ্য শোয়েবের চেয়েও বেশি নজর কেড়েছেন সাতে নামা আসিফ আলী, ১২ বলে ১ চার ও ৩ ছক্কায় আসিফ করেছিলেন ২৭ রান।

এর পরের ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ১৪৮ রানের লক্ষ্যে নামা পাকিস্তানের হয়ে শোয়েব ভালো করতে পারেননি। পাঁচে নেমে ১৫ বলে ১৯ রান করে আউট হয়ে গেছেন। সেদিনও আলো ছড়িয়েছেন আসিফই। ৭ বলে ৪ ছক্কায় ২৫ রান করে পাকিস্তানকে এনে দিয়েছেন ৫ উইকেটের জয়।

default-image

অবশ্য পারফরম্যান্সের কারণে শোয়েবের অবসরের দাবি উঠছে, এমনটা মনে করার সময় এখনো আসেনি। হয়তো তাঁর বয়স আর ‘বিশ্বকাপ জিতে অবসর নেওয়ার’ পুরোনো ঘোষণাই অবসরের প্রশ্ন ওঠার কারণ। শোয়েব সেসবে আপাতত গুরুত্ব দিচ্ছেন না।

তবে গুরুত্ব দেওয়ার প্রসঙ্গ যখন আসে প্রতিপক্ষের চ্যালেঞ্জ সামলানো নিয়ে, শোয়েব সেখানে বিন্দুমাত্র ছাড় দিতে রাজি নন। বাংলাদেশ সময় আগামীকাল রাত ৮টায় আবুধাবিতে নামিবিয়ার বিপক্ষে নামবে পাকিস্তান। ধারে-ভারে-ফর্মে অনেক পিছিয়ে থাকা নামিবিয়াকে নিয়েও শোয়েবের কণ্ঠে সতর্কতাবাণী, ‘আমাদের দল ফুরফুরে মেজাজে আছে, তবে আমরা কোনো ম্যাচকেই হালকাভাবে নিচ্ছি না। নামিবিয়ার বিপক্ষে ম্যাচকেও নয়। পুরো প্রস্তুতি নিয়েই আমরা মাঠে নামব।’

সংবাদ সম্মেলনে শোয়েব প্রশংসা করেছেন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজমেরও, ‘বাবর আজমের অধিনায়কত্বে উন্নতি আসছে। বাবরের সবচেয়ে ভালো দিকটা হলো ও নিজের ব্যাটিংয়ের সময়ে অধিনায়কত্বের চাপটা মাথাতেই আনে না। মানুষ সময়ের সঙ্গে আরও নতুন কিছু শেখে, আর আমার মনে হচ্ছে বাবর এখন মাঠে আরও ভালো সিদ্ধান্ত নিতে পারছে।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন