default-image

বিশ্বকাপে পাকিস্তান কেন ভারতকে হারাতে পারে না—এই প্রশ্ন সত্যিই মিলিয়ন ডলারের। এমন মন্তব্য কিন্তু যেনতেন কোনো মানুষের নয়, খোদ জন্টি রোডসের। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে চারটি বিশ্বকাপ খেলেছেন, অভিজ্ঞতায় ঋদ্ধ। তিনিও বুঝতে পারছেন না কেন বিশ্বকাপে ভারতকে হারাতে পারে না পাকিস্তান। শেষে একটু বিব্রত হয়েই যেন বললেন, ‘পাকিস্তান কেন ভারতের বিপক্ষে জেতে না—এটা সত্যিই মিলিয়ন ডলার প্রশ্ন!’ রোডসের কাছে নেই এ-সংক্রান্ত নির্দিষ্ট কোনো উত্তর।

জাভেদ মিয়াঁদাদ অবশ্য সোজা-সাপ্টাই ব্যাখ্যা করেছেন ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের হারের কারণ, ‘এটা তো কোনো মহাকাশ-বিজ্ঞান নয় যে বোঝা যাবে না। অ্যাডিলেডের ম্যাচে পাকিস্তানের দল-নির্বাচনই তো ঠিক ছিল না। আপনারা কি আমাকে বলতে পারবেন, হঠাৎ করে ইউনুস খানকে কেন ওপেনিংয়ে পাঠানো হলো? কেন বিশেষজ্ঞ উইকেটরক্ষক সরফরাজ আহমেদকে একাদশে নেওয়া হলো না?’
নির্বাচকদেরই একহাত নিয়েছেন সাবেক এই পাকিস্তানি গ্রেট। তাঁর ভাষায় নির্বাচকদের ‘হকচকিয়ে’ দেওয়া কিছু সিদ্ধান্তই পাকিস্তানকে ডুবিয়েছে। আমি কিছুতেই ইউনুস খানকে ওপেনিংয়ে পাঠানোর পেছনে কোনো যুক্তি খুঁজে পাচ্ছি না।’
মিয়াঁদাদ মনে করেন ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি যে একটা বিশাল ক্যানভাসের লড়াই, সে ব্যাপারটি বুঝতেই নিজেদের অপারগতা প্রকাশ করে ফেলেছেন, ‘বড় ম্যাচে যে দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের খেলাতে হয়, এই সাধারণ ব্যাপারটিও কী নির্বাচকদের মাথায় ছিল না? সরফরাজ আহমেদকে কেন খেলানো হলো না? ফর্মে থাকা সরফরাজ দলে থাকলেও তো কিছু রান আসত।’
পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক জহির আব্বাসও মিয়াঁদাদের সঙ্গে একমত। সেই সঙ্গে তিনি যোগ করেছেন পাকিস্তানের বাজে ফিল্ডিংয়ের ব্যাপারটি। বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ‘গ্রেট’ ইমরান খানও মনে করেন, অ্যাডিলেডের ম্যাচে দল নির্বাচনে কোনো মুনশিয়ানার ছাপ রাখতে পারেননি পাকিস্তানি নির্বাচকেরা, ‘ভারতের বিপক্ষে একাদশ নির্বাচন ছিল ভুলে ভরা। বিশেষজ্ঞ উইকেটরক্ষক কেন খেলানো হয়নি? ওটা ছিল খুবই বাজে একটা সিদ্ধান্ত।’
সাবেক ব্যাটসম্যান মহসিন খান মনে করেন, এই ম্যাচে পরিকল্পনাতেই ছিল খামতি। ভারতীয় দল এই পরিকল্পনার ক্ষেত্রে পাকিস্তানি থিংক ট্যাংকের চেয়ে এগিয়ে ছিল যোজন-যোজন ব্যবধানেই। সূত্র: এমিরেটস ২৪/৭ ডটকম।

বিজ্ঞাপন
ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন