বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পরপর দুটি সফর বাতিল বরবাদ হওয়ার দ্বারপ্রান্তে নিয়ে ফেলেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে। আর্থিক ক্ষতির ব্যাপারটি তো আছেই, পাকিস্তানের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি আবারও একঘরে হয়ে যাওয়ার শঙ্কা। ২০০৯ সালে লাহোরে শ্রীলঙ্কান ক্রিকেট দলের ওপর সন্ত্রাসী হামলার পর বেশ অনেক বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট বন্ধ ছিল পাকিস্তানের মাটিতে। ধীরে ধীরে যখন পাকিস্তানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরছে, ঠিক তখনই ‘সম্ভাব্য নিরাপত্তা হুমকি’ পাকিস্তানে ক্রিকেট আয়োজনকে আবারও অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দিয়েছে।

এদিকে বিতর্কের সলতেয় নতুন করে আগুন দিয়েছে টিম ইংল্যান্ড প্লেয়ার্স পার্টনারশিপের (টিইপিপি) চেয়ারম্যানের একটি লেখা। ইএসপিএন ক্রিকইনফোতে লেখা সেই কলামে তিনি বলেছেন, ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড পাকিস্তান সফর বাতিলের ব্যাপারে ক্রিকেটারদের সঙ্গে সামান্যতম আলোচনাও করেনি। পুরো বিষয়টিতেই তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে একতরফাভাবে।

default-image

টিইপিপি চেয়ারম্যান রিচার্ড বেভান বলেছেন, ‘আমরা কখনোই ইসিবিকে বলিনি যে ক্রিকেটাররা পাকিস্তান সফরে রাজি নয়। ইসিবিও কখনোই ক্রিকেটার কিংবা টিইপিপির সঙ্গে এ ব্যাপারে (সফর বাতিল করা) আলোচনা করেনি।’ বেভান জোরের সঙ্গেই লিখেছেন, ‘পাকিস্তান সফর বাতিলের ব্যাপারে ইসিবি ক্রিকেটারদের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে, এটা পুরোপুরি ভুল।’

এদিকে, টিইপিপির এমন কথায় রীতিমতো অবাক পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। তারা যে ক্রিকেটারদের মানসিক স্বাস্থ্যের কথাই অজুহাত হিসেবে বলেছিল। পিসিবির এক কর্তা ক্ষোভের সঙ্গেই বলেছেন, ‘ব্যাপারটা কেমন দাঁড়াচ্ছে সবাই বুঝতে পারছে। আমরা এ ব্যাপারে ইসিবির সঙ্গে অবশ্যই কথা বলব।’

default-image

পাকিস্তানের ক্ষতির পরিমাণ অনেক। আর্থিক ক্ষতির বিষয়টিই যদি ভাবা হয়, সেটা আকাশচুম্বী। এ ব্যাপারে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি ভাবছে পিসিবি। জানা গেছে, বিষয়টি আইসিসিতে কীভাবে তোলা হবে, সেটি নিয়ে পিসিবি চেয়ারম্যান রমিজ রাজা খুব শিগগির আলাপ করবেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে। তাঁর পরামর্শ নিয়েই আইনি পদক্ষেপের ব্যাপারে এগোনোর কথা ভাবছে পিসিবি।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন