বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কিছুদিন আগে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলও পাকিস্তান সফর করেছে। এবার দীর্ঘ ১৮ বছর পর নিউজিল্যান্ড এসেছিল পাকিস্তানে। কিন্তু এক ‘নিরাপত্তা–হুমকি’ সেটি পণ্ড করে দিয়েছে। ইংল্যান্ডও সফর বাতিল করায় পাকিস্তান এখন সেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটহীন দিনগুলো আবার দেখতে পাচ্ছে।

ইংল্যান্ডের সফর বাতিল করাকে পশ্চিমা দেশগুলোর ‘নেতিবাচক মানসিকতা’ বলছেন সাবেক অধিনায়ক জাভেদ মিয়াঁদাদ। তিনি বলেছেন, ‘তারা প্রথমে জোর করে আমাদের নিরাপত্তাব্যবস্থা পরখ করে দেখল, এরপর কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই সফর বাতিল করে চলে গেল। এটা নেতিবাচক মানসিকতা ছাড়া আর কিছুই নয়।’

default-image

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজটি নিরপেক্ষ ভেন্যুতে আয়োজন করলে মিয়াঁদাদের কোনো আপত্তি নেই, ‘ইংল্যান্ডকে জিজ্ঞেস করতে হবে, তারা খেলতে চায় কি না, যদি বলে চাই, তাহলে নিরপক্ষে ভেন্যুতে হলেও সিরিজটি আয়োজন করা উচিত। কারণ, আমরা খেলতে চাই, সেটি যেখানেই হোক না কেন।’

পাকিস্তানি ব্যাটসম্যান শান মাসুদ ব্যাপারটিকে ইংল্যান্ডের অকৃতজ্ঞ আচরণ হিসেবেই দেখছেন, ‘ছয় বছর নির্বাসনে ছিল পাকিস্তান ক্রিকেট। কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ আমরা আয়োজন করতে পারিনি। পাকিস্তান দেশ হিসেবে ক্রিকেটে অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছে। আমরা কোভিডের বিপজ্জনক সময় ইংল্যান্ড সফর করেছি। এখন ইংল্যান্ডের উচিত ছিল আমাদের বিপদের সময় পাশে দাঁড়ানো।’

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সভাপতি রমিজ রাজা স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুব্ধ ইংল্যান্ডের এ সিদ্ধান্তে, ‘ইংল্যান্ডের সিদ্ধান্তে আমি হতাশ। তারা প্রতিশ্রুতি রাখেনি। যখন বেশি তাদের দরকার, তখনই তারা সরে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু আমরা ইনশা আল্লাহ টিকে থাকব।’

রমিজ মনে করেন প্রথমে নিউজিল্যান্ড ও পরে ইংল্যান্ডের সফর বাতিল করা একধরনের জেগে ওঠার বার্তা, ‘এটা অবশ্যই জেগে ওঠার বার্তা। আমাদের বিশ্বসেরা দল হয়ে উঠতে হবে, যেন বিশ্বের বাকি সব দেশ আমাদের সঙ্গে খেলার জন্য লাইন ধরে দাঁড়িয়ে থাকে।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন