বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, শুল্ক কর্মকর্তাদের কাছে দুবাই থেকে আনা দুটি ঘড়ির যে চালানপত্র দিয়েছেন পান্ডিয়া, তাতে দুটি ঘড়ির মূল্য মোট ১ কোটি ৮০ লাখ রুপি বলা হয়েছে। একটি ১ কোটি ৪০ লাখ রুপি, অন্যটি ৪০ লাখ রুপি। কিন্তু জানা গেছে, প্যাটেক ফিলিপের ওই দুই ঘড়ির দাম পাঁচ কোটি রুপি।

এ কারণেই তাঁর ঘড়ি আটকে রাখা হয়েছে। যদিও টুইটারে পান্ডিয়া বলেছেন যে ঘটনা উল্টো, ‘১৫ নভেম্বর সোমবার সকালে দুবাই থেকে আসার পর লাগেজ জোগাড় করে আমি নিজ থেকে মুম্বাই বিমানবন্দরের শুল্ক বিভাগে গিয়ে যেসব জিনিস এনেছি, সেগুলোর কথা জানিয়েছি এবং শুল্ক পরিশোধ করেছি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমার এ ঘটনা নিয়ে ভুল বার্তা দেওয়া হচ্ছে। আমি সবকিছু এখানে খোলাসা করে দিতে চাই। দুবাই থেকে আইনিভাবে কেনা জিনিসগুলো আমি স্বেচ্ছায় গিয়ে শুক্ল বিভাগে দেখিয়েছি। এ জন্য যত শুল্ক দেওয়া লাগে, তা দিতে চেয়েছি।’

default-image

সে ক্ষেত্রে কেন এমন খবর ছড়াল, তার একটা ব্যাখ্যা দিয়েছেন পান্ডিয়া, ‘শুল্ক বিভাগ আমার কাছে কেনার সব রসিদ চেয়েছে। সবই দিয়েছি। কিন্তু শুল্ক বিভাগ সব কটি পণ্যের সঠিক শুল্ক কত হবে, সে হিসাব করছে, যা আমি দেব বলে জানিয়ে দিয়েছি।’

খবরে জানানো হয়েছিল, প্যাটেক ফিলিপ ব্র্যান্ডের দুই ঘড়ির দাম পাঁচ কোটি রুপি। কিন্তু পান্ডিয়া নাকি দুটি ঘড়ির মূল্য মোট ১ কোটি ৮০ লাখ রুপি বলেছেন। যদিও টুইট বার্তায় ওই দুই ঘড়ির দাম আরও কম বলেছেন পান্ডিয়া, ‘ঘড়িগুলোর দাম প্রায় দেড় কোটি রুপি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলা হচ্ছে পাঁচ কোটি রুপি, আসলে তা নয়। আমি দেশের আইন মেনে চলা নাগরিক, দেশের সব সংস্থাকে শ্রদ্ধা করি। আমি মুম্বাই শুল্ক বিভাগের সহযোগিতা পেয়েছি এবং তাদের সব ধরনের সহযোগিতা করার কথাও বলেছি। এ বিষয়ে সব ঝামেলা মেটাতে যেসব কাগজ দরকার, সবই দেব বলে জানিয়েছি। আমার বিরুদ্ধে আইন ভঙ্গ করার যেসব অভিযোগ তোলা হচ্ছে, সবই অযৌক্তিক।’

তবে খবরে আরও বলা হয়েছিল, ঘড়ির যে চালানপত্র দিয়েছেন, সেখানে দেওয়া সিরিয়াল নম্বর, আর পান্ডিয়ার আনা ঘড়ির সিরিয়াল নাকি মিলছে না। এ ব্যাপারে কোনো ব্যাখ্যা টুইটারে দেওয়া হয়নি।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন