বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

এমন লজ্জাজনক হারের পর স্বাভাবিকভাবেই দল নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ক্রিকেটবোদ্ধা থেকে শুরু করে সাবেক ক্রিকেটার—সবাই কথা বলছেন এ নিয়ে। এবার মুখ খুললেন সাবেক ভারতীয় ব্যাটসম্যান সন্দ্বীপ পাতিল। দল নির্বাচন নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান তিনি।

সন্দ্বীপ পাতিল মূলত চটেছেন ভারতের বিশ্বকাপ দলে হার্দিক পান্ডিয়ার অন্তর্ভুক্তি নিয়ে। পান্ডিয়া অলরাউন্ডার হলেও, ২০১৯ সালে তাঁর পিঠের অস্ত্রোপচারের পর থেকে তিনি বোলিং করা কমিয়ে দিয়েছেন। সবশেষ আইপিএলেও তিনি বোলিং করার জন্য পুরোপুরি ফিট ছিলেন না, এই বিশ্বকাপের ঠিক কোন ম্যাচ থেকে তিনি বল করা শুরু করতে পারবেন, তারও নিশ্চয়তা নেই। যদিও কালই অনুশীলনে নেটে বোলিং করেছেন পান্ডিয়া।

আপনি কীভাবে একজনকে ফিট বলে দাবি করেন, যখন সে ম্যাচের মধ্যেই আনফিট থাকে? এটা বিশ্বকাপ, কোনো সাধারণ সিরিজ বা ম্যাচ নয়।
পান্ডিয়ার ফিটনেস নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন ভারতের সাবেক ব্যাটসম্যান সন্দীপ পাতিল

এখানেই প্রশ্ন পাতিলের। পান্ডিয়া ফিট ছিলেন কি না, সেটা নিয়ে নির্বাচকদের মনে প্রশ্ন জাগা উচিত ছিল বলে মনে করেন তিনি, সে একাদশে সুযোগ পাবেন কি না, সেটা ঠিক করার দায়িত্ব কোচের। শুধু বিসিসিআই এ সিদ্ধান্তটা জানতে পারবে। কিন্তু একজন খেলোয়াড় স্কোয়াডে জায়গা পাওয়ার মতো ফিট কি না, সেটা ঠিক করার দায়িত্ব নির্বাচকদের। যেহেতু সে আইপিএলে এক ওভারও বল করেনি, তখনই নির্বাচকেরা এ বিষয়টি ভেবে দেখতে পারতেন। তাঁর একটা ফিটনেস টেস্ট নেওয়া উচিত ছিল।

‘আনফিট’ পান্ডিয়াকে কার কথায় দলে নেওয়া হলো সেটা জানতে চান পাতিল। তাঁর মতে, কাউকে অবশ্যই এর দায় নিতে হবে, ‘কাউকে না কাউকে এর জবাবদিহি করতেই হবে। এখন পর্যন্ত রবি শাস্ত্রী কিছু বলেননি। রোহিত শর্মা এবং অজিঙ্কা রাহানে দাবি করেছেন যে সে ফিট। আপনি কীভাবে একজনকে ফিট বলে দাবি করেন, যখন সে ম্যাচের মধ্যেই আনফিট থাকে? এটা বিশ্বকাপ, কোনো সাধারণ সিরিজ বা ম্যাচ নয়।’

default-image

দল সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে যে নির্বাচকেরা পান্ডিয়াকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দলে নিতে চাননি। কিন্তু পান্ডিয়ার ফিনিশিং স্কিলের জন্য তাঁকে দলে রাখতে বলেন দলের পরামর্শক মহেন্দ্র সিং ধোনি।

সাবেক ভারতীয় অধিনায়ক এবং নির্বাচক দিলীপ ভেংসরকার মনে করেন, দল সংশ্লিষ্ট সবাই মিলেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, ‘এ বিষয়ে যাঁরা যাঁরা সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা রাখেন—কোচ, অধিনায়ক, নির্বাচক এবং দলীয় চিকিৎসক, তাঁরা সবাই মিলে পর্যালোচনা করেই তাঁকে দলে নিয়েছেন বলে আমার ধারণা।’

ভারতের পরের ম্যাচ ৩১ অক্টোবর, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন