default-image

করোনাভাইরাস মহামারির বিরতি কাটিয়ে বাংলাদেশে ক্রিকেট মাঠে ফিরেছে আগেই। ক্রিকেটারদের তিন দলে ভাগ করে প্রেসিডেন্টস কাপ নামের একটি টুর্নামেন্টের মাধ্যমে মাঠে ফিরেছিল খেলা। সেই টুর্নামেন্ট খেলেই পাকিস্তান পাড়ি জমিয়েছিলেন তামিম ইকবাল। লাহোর কালান্দার্সের হয়ে খেলতে গিয়েছিলেন পাকিস্তানের ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট পিএসএলে। সেখানে তিনটি ম্যাচ খেলে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশের ওপেনার। এখন আবার খেলতে নামবেন বিসিবির আয়োজন করা আরেকটি টুর্নামেন্ট—বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টিতে। তা এই টুর্নামেন্টে পিএসএলের অভিজ্ঞতা কতটা কাজে লাগবে তামিমের?

মিরপুরে বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি নিয়ে তামিম একটি সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেছেন আজ। সেই সংবাদ সম্মেলনেই প্রসঙ্গক্রমে পিএসএলের বিষয়টি এসেছে। তামিম অবশ্য পিএসএল আর বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টিকে মেলাতে চান না, ‘দুইটা দুই রকমের টুর্নামেন্ট। তবে একটা ভালো বিষয় হয়েছে যে আমি তিনটি ম্যাচ খেলেছি। এমনিতে এখন খুব বেশি খেলা হচ্ছে না। ওই ম্যাচ তিনটি খেলা আমাকে তাই সাহায্য করবে। কারণ, আমি তো ম্যাচের মধ্যেই আছি।’

বিজ্ঞাপন
default-image

পিএসএলে শুধু পাকিস্তানের ক্রিকেটারই ছিলেন না। সেখানে বিভিন্ন দেশের খেলোয়াড়েরা খেলেছেন। ফলে প্রতিদ্বন্দ্বিতাও ভালোই হয়েছে। বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে খেলবেন শুধু বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। এই টুর্নামেন্ট কি পিএসএলের মতো অতটা জমজমাট আর প্রতিদ্বন্দ্বিতাময় হবে? এই প্রশ্নে তামিমের উত্তর, ‘আশা করি, টুর্নামেন্ট ভালো হবে। ভালো ক্রিকেটই খেলবে সবাই।’ ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক এই টুর্নামেন্টে ফরচুন বরিশালের অধিনায়ক তামিম। টুর্নামেন্টে তাঁর ব্যক্তিগত লক্ষ্য কী থাকবে? তামিম বলেছেন, ‘চেষ্টা তো থাকবে ভালো করার। সেটা নিজের ও দলের জন্যই।’

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে খেলার জগতে নেমে এসেছিল স্থবিরতা। সেই স্থবিরতা কেটে মাঠে ফিরতে শুরু করেছে বিভিন্ন খেলা। ফিরেছে ক্রিকেটও। তারপরও খুব বেশি ক্রিকেট এখন হচ্ছে না। এর মধ্যেও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড যে একটা-দুইটা টুর্নামেন্ট আয়োজন করছে, তাতে খুশি তামিম, ‘এটা দেশের জন্য অবশ্যই ভালো। আমরা ভাগ্যবান ছিলাম যে প্রেসিডেন্টস কাপ খেলতে পেরেছি। আশা করব, এই টুর্নামেন্টও ভালো হবে। কে জিতবে বা কে হারবে, সেটা বড় কথা নয়। আশা করি, সবাই ভালো ক্রিকেট উপহার দেবে।’

default-image

বরিশালের অধিনায়ক টুর্নামেন্টটা শুরু করতে চান ভালোভাবে, ‘পিএসএলে মানসম্পন্ন বোলিংয়ের বিপক্ষে তিনটি ম্যাচ খেলে এসেছি। এটা অবশ্যই বাড়তি একটি পাওয়া। কিন্তু তিন ম্যাচ খেলেন আর পাঁচ ম্যাচ খেলেন, সেটা বড় কথা নয়। বড় কথা হচ্ছে, নতুন টুর্নামেন্ট শুরু করতে হবে ভালোভাবে। আমার জন্য সুবিধা হলো, আমি খেলার মধ্যে আছি। অন্যদের জন্য এই সুবিধাটা নেই। আমি আশা করছি, আমার এবং আমার দলের শুরুটা ভালো হবে।’

পিএসএলে তিন ম্যাচের একটিতেও খুব বেশি ভালো করতে পারেননি তামিম। তিন ম্যাচে সব মিলিয়ে করেছেন ৮৩ রান, সর্বোচ্চ করাচি কিংসের বিপক্ষে ফাইনালে ৩৫ রান। ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে না পারা নিয়ে কি একটু হতাশ বাংলাদেশের ওপেনার? তামিম বললেন, ‘আমার কাছে মনে হয়, তিনটা ম্যাচেই আমি যেভাবে শুরু করেছিলাম, খুবই ইতিবাচক ছিল। আমি যে পরিকল্পনা করে ব্যাট করছিলাম, তাতে সফল হচ্ছিলাম। কিন্তু সেটা ছোট সময়ের জন্য। ওই শুরুর পর আমার অন্তত ৫০-৬০ রান করা উচিত ছিল, যা আমি করতে পারিনি। কিন্তু যেভাবে বল মারতে পেরেছি, আমি খুশি।’

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0