বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চা-বিরতির আগে শেষ ওভারেই নিল ওয়াগনারের দুটি শর্ট বলে দারুণ পুলে দুটি চার মেরেছিলেন লিটন—প্রথমটি বিহাইন্ড দ্য স্কয়ারে, পরেরটি ইনফ্রন্ট অব স্কয়ারে। আগের সেশন যেখানে শেষ করেছিলেন, পরেরটি শুরু করেন সেখান থেকেই। লিটনের সঙ্গে যোগ দেন নুরুলও। অবশ্য ৫৫তম ওভার থেকে টান পেয়ে অস্বস্তিতে ভুগছিলেন নুরুল, তবে দ্রুত থামেননি তিনিও।

প্রতি-আক্রমণের নেতৃত্বটা অবশ্য লিটনই দেন। চা-বিরতির আগে-পরে এ দুজনের জুটিতে ১২ ওভারের মধ্যে আসে ১৮টি বাউন্ডারি। নুরুল মারেন ৭টি, লিটন ১১টি। দুজনের জুটি শতরান ছুঁয়ে ফেলে মাত্র ৯৮ বলে, ১০৫ বলে ওঠে ১০১ রান।

জেমিসনের এক ওভারে ওঠে ১৭ রান। দুটি চারের সঙ্গে আপার কাটে থার্ডম্যান দিয়ে ছয়ও মারেন সে ওভারে লিটন। এরপর বোল্টের ওভারে আসে আরও ১৬ রান। সে ওভারে লিটনই মারেন চারটি চার। প্রথমটিতে আউটসাইড-এজ হলেও লিটন সে শটেই পেয়ে যান অর্ধশতক, ৬৯ বলে। তাঁর পরের তিনটি বাউন্ডারিতে ছিল দুর্দান্ত টাইমিং।

নিল ওয়াগনারের কবলে পড়ে চা-বিরতির আগেই ৫ উইকেট হারালেও লিটন ও নুরুল হাসানের ঝোড়ো জুটিতে প্রতি-আক্রমণ করেছে বাংলাদেশ। ড্যারিল মিচেল এসে ভেঙেছেন দুজনের ১০৫ বলে ১০১ রান জুটি। মিড-অফে ওয়াগনারের দারুণ ক্যাচে পরিণত হয়েছেন নুরুল।

নুরুল ফেরার পর একটু ধীরগতির হয়ে গেলেও লিটন ১০০ পেয়ে যান ঠিকই। ওয়াগনারকে দুই চার মেরে পৌঁছান নব্বইয়ে। জেমিসনকে একটা চার মেরে ৯৮ রানে যাওয়ার পর ডাবলসে পূর্ণ করেন দেশের বাইরে নিজের প্রথম শতক।

মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন